...|...|...

বিশ্ব

দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ডের ভিডিও নিয়ে যা জানাল সৌদি

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৬, বিকেল ৫:৩৮
Shares
দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ডের ভিডিও নিয়ে যা জানাল সৌদি

ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কার একটি মসজিদে অশালীন কর্মকাণ্ডের অভিযোগে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। তবে ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওটিকে সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর বলে উড়িয়ে দিয়েছে পবিত্র দুই মসজিদ-সংক্রান্ত তথ্য ও সংবাদ প্রচারকারী একটি মাধ্যম।

সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘খালিজ টাইমস’ -এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৪ অক্টোবর (বুধবার) সৌদি আরবের আইন অনুযায়ী অশালীন কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অপরাধে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রকাশিত বিবৃতিতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের নাম নাজরুল ইসলাম আবদুল বাসির এবং সিতি আখতার বলে উল্লেখ করা হয়। তবে ওই বিবৃতিতে ঘটনার বিস্তারিত কোনো বিবরণ কিংবা মক্কার সুনির্দিষ্ট কোন মসজিদে ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছিল, সে বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।

সৌদি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পবিত্র মসজিদের মর্যাদা রক্ষা এবং যেকোনো ধরনের অবমাননাকর বা সম্মানহানিকর অপরাধ দমনে দেশটির সরকার কঠোর আইন প্রয়োগের মাধ্যমে নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন

দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর প্রকাশ্যে আসার পরপরই অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক নারী ও পুরুষের একটি ভিডিও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ভিডিওটিতে একটি জুটিকে কাবা শরিফের পূর্ব কোণে অবস্থিত পবিত্র হাজরে আসওয়াদের কাছাকাছি এলাকায় দেখা যায়।

সামাজিক মাধ্যমে ভিডিওটি শেয়ার করে বিভিন্ন ক্যাপশনে দাবি করা হয় যে, এটিই সেই দুই বাংলাদেশির ভিডিও, যাদের বিরুদ্ধে অশালীন কর্মকাণ্ডের অভিযোগ আনা হয়েছিল। তবে পবিত্র দুই মসজিদ-সংক্রান্ত অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে জানানো হয়েছে যে, ভাইরাল হওয়া এই দাবির সাথে ভিডিওটির কোনো সত্যতা নেই এবং এটি সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর বা ভুয়া ভিডিও। মূলত প্রচারিত ভিডিওটি দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কোনো প্রমাণ বা ঘটনার দৃশ্য নয়।

এদিকে, চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার বিষয়ে সৌদি আরবে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ধরনের সংবেদনশীল বা স্পর্শকাতর কোনো ঘটনার ভিডিও সামনে এলে তা সত্যতা ও সঠিক প্রেক্ষাপট যাচাই না করে অন্ধের মতো বিশ্বাস বা শেয়ার করা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।