...|...|...

বিশ্ব

ডোনাল্ড ট্রাম্প কি মিয়ানমারের সাথে ব্যবসা করতে আগ্রহী?

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৬, বিকেল ৫:৩৬
Shares
ডোনাল্ড ট্রাম্প কি মিয়ানমারের সাথে ব্যবসা করতে আগ্রহী?

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

মিয়ানমারের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের বিচ্ছিন্ন রাখার নীতিতে কি বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে? ট্রাম্প প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্মকর্তার সাথে মিয়ানমারের সামরিক প্রধান মিন অং হ্লাইংয়ের সাম্প্রতিক বৈঠক এবং কয়েকজন ব্যবসায়ীর ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ঘটনায় এই প্রশ্ন জোরালো হয়েছে।

গত ১৫ ও ১৬ সেপ্টেম্বর মিয়ানমারের রাজধানী নেপিদোতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সহকারী সচিব মাইকেল ভ্যান্সের সাথে সাক্ষাৎ করেন জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাইং। ২০২১ সালের অভ্যুত্থানের পর এই প্রথম যুক্তরাষ্ট্রের এত উধ্বর্তন কোনো কর্মকর্তা তার সাথে বৈঠক করলেন। আটকাপড়া এক মার্কিন নাগরিককে মুক্ত করার কথা বলা হলেও, এই বৈঠকে ভূরাজনৈতিক ও কৌশলগত নানা বিষয় স্থান পেয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই নীতিবদলের সূত্রপাত গত বছর থেকেই। ট্রাম্পের শুল্কনীতির মুখে মিন অং হ্লাইং চিঠি লিখে মার্কিন প্রশাসনকে তোষামোদ করেছিলেন এবং ওয়াশিংটনের সাথে সুসম্পর্ক গড়ার বার্তা দিয়েছিলেন। এর পর থেকেই ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে নরম সুর দেখা যাচ্ছে। এমনকি মিয়ানমারের বিতর্কিত নির্বাচন নিয়েও পশ্চিমা বিশ্বের মতো কঠোর সমালোচনা করেনি যুক্তরাষ্ট্র।

বিরল মৃত্তিকা খনিজের বিশাল মজুত এবং চীনের ওপর নির্ভরতা কমাতেই যুক্তরাষ্ট্র মিয়ানমারের দিকে হাত বাড়াচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে। তবে লবিস্ট নিয়োগ এবং যুক্তরাষ্ট্র-মিয়ানমার যোগাযোগের মাত্রা বাড়লেও মিন অং হ্লাইংয়ের ওপর মূল নিষেধাজ্ঞাগুলো এখনো বহাল রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নেপিদোর সাথে যোগাযোগ স্থাপন করা দোষের কিছু নয়। তবে যুক্তরাষ্ট্র এর বিনিময়ে মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করা, বেসামরিক মানুষের ওপর বিমান হামলা বন্ধ করা এবং প্রতারণা চক্র দমনে কতটা সফল হয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।