...|...|...

অর্থনীতি

দুই দিন পর ৩০ ব্যাংকের কিউ-ক্যাশের সব সেবা চালু

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ৭ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ১:১৭ | আপডেট: ৭ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ১:৪১
Shares
দুই দিন পর ৩০ ব্যাংকের কিউ-ক্যাশের সব সেবা চালু

দুই দিন বন্ধ থাকার পর প্রায় ৩০টি ব্যাংকে কিউ-ক্যাশ নেটওয়ার্কের সব সেবা পুরোপুরি চালু হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাতে কিউ-ক্যাশ পরিচালনাকারী সংস্থা আইটি কনসালট্যান্টস পিএলসি (আইটিসি) এবং একাধিক বাণিজ্যিক ব্যাংক বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

মঙ্গলবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে আইটিসি জানায়, কিউ-ক্যাশের আওতাধীন সব সেবা এখন স্বাভাবিকভাবে কার্যকর রয়েছে। ফলে গ্রাহকরা আগের মতো লেনদেন করতে পারবেন।

এদিকে রাত সাড়ে ১২টার দিকে ব্যাংক এশিয়ার পাঠানো এক ক্ষুদে বার্তায় জানানো হয়, তাদের এটিএম, কার্ড, পিওএস, এনপিএসবি, ই-কমার্স ও কিউআর সেবা পুরোপুরি সচল রয়েছে। গ্রাহকদের যথারীতি লেনদেন করার আহ্বান জানানো হয়।

গত রবিবার (৪ অক্টোবর) রাত ৯টার পর কিউ-ক্যাশ নেটওয়ার্কের সিস্টেম মাইগ্রেশনের কারণে দেশের প্রায় ৩০টি ব্যাংকের বিভিন্ন কার্ড ও লেনদেন সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।

এতে এটিএম, পয়েন্ট অব সেল (পিওএস), কার্ড লেনদেনসহ কিছু আন্তঃব্যাংক লেনদেন সেবা ব্যাহত হয়। সে সময় বিভিন্ন ব্যাংকের পক্ষ থেকে গ্রাহকদের ক্ষুদে বার্তায় জানানো হয়েছিল, এসব সেবা ১০ অক্টোবর দুপুর ১২টার পর স্বাভাবিক হতে পারে।

তবে গ্রাহকদের ভোগান্তি কমাতে সেবা দ্রুত চালুর উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো।

সেবা দ্রুত সচল করতে মঙ্গলবার কিউ-ক্যাশের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে বাংলাদেশ ব্যাংকে ডেকে পাঠানো হয়।

মঙ্গলবার রাত ৯টায় বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক ও সহকারী মুখপাত্র সাঈদা খানমের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রবিবার রাত ৯টা থেকে আইটি কনসালট্যান্টস পিএলসি পরিচালিত কিউ-ক্যাশ নেটওয়ার্কে রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে কয়েকটি ব্যাংকের লেনদেন সেবা ব্যাহত হয়। এতে গ্রাহকদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

গ্রাহকদের আর্থিক লেনদেনের ধারাবাহিকতা ও স্বার্থ রক্ষায় বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। পাশাপাশি কিউ-ক্যাশের ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম তদারকি করে দ্রুত কার্ড-সংশ্লিষ্ট সব সেবা পুনরায় চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কিউ-ক্যাশের আওতাধীন সব সেবা পুরোপুরি চালু হয়। ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর গ্রাহকরা আবারও স্বাভাবিকভাবে কার্ড ও অন্যান্য লেনদেন সেবা ব্যবহার করতে পারছেন।