নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, চট্টগ্রাম বন্দরের যে সম্ভাবনা আছে, যে আন্তর্জাতিক মানের সুযোগ-সুবিধা প্রয়োজন, সেটি পূরণের জন্যই এই চুক্তি করা হয়েছে। জাতীয় স্বার্থকে বিবেচনায় নিয়েই ডিপি ওয়ার্ল্ডের সাথে চুক্তি করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বের শীর্ষ পাঁচটি কোম্পানির মধ্যে তিনটিকে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবস্থাপনায় যুক্ত করা হচ্ছে। আগামীতে ভালো অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করার সূচনা হয়েছে। বিএনপি সরকারের প্রতি আস্থা রাখার আহ্বান জানান নৌপরিবহনমন্ত্রী।
ছয় মাসের মধ্যে ডিপি ওয়ার্ল্ড কাজ শুরু করবে উল্লেখ করে নৌপরিবহনমন্ত্রী বলেন, ডিপি ওয়ার্ল্ডের সাথে এই চুক্তির মাধ্যমে বন্দর ইজারা দেওয়া হচ্ছে না। দুই বছর পর আলোচনা সাপেক্ষে দুই পক্ষ রাজি থাকলে আবারও ১৫ বছরের জন্য চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, যারা বর্তমানে চাকরি করছেন, তাদের চাকরি হারানোর আশঙ্কা নেই। বরং, তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে।
এছাড়াও, চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ৬০০ কোটি টাকা পেয়েছে বলেও জানান নৌপরিবহনমন্ত্রী।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনা করার জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডের সাথে চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ।


