চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে পৃথক অভিযানে ২১ হাজার ৭শ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর (ডিএনসি)। এসব ঘটনায় দুজন রোহিঙ্গাসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) রাতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক এ কে এম শওকত ইসলাম এসব তথ্য জানান।
ডিএনসি চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ অক্টোবর বিকালে কর্ণফুলী থানার ক্রসিং মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন শাহ হোসাইন (৪০) ও সেলিম (৪৮)।
শাহ হোসাইন উখিয়ার ১৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা। সেলিমের বাড়ি উখিয়ার পালংখালী এলাকায়।
একই দিন কর্ণফুলী থানার শিকলবাহা ওয়াই ক্রসিং এলাকায় শ্যামলী পরিবহনের একটি বাসে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ফুলবাবু (৩০) নামের এক যাত্রীকে আটক করা হয়। তার পরা স্যান্ডেলের ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকানো ১ হাজার ৯শ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের কর্মকর্তারা।
এ ছাড়া রবিবার সকালে চন্দনাইশ থানার বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটকের বিপরীতে চট্টগ্রামগামী ঈগল পরিবহনের একটি বাসে অভিযান চালানো হয়। এ সময় বাসের চালকের আসনের পেছনের যাত্রীসিটে বসা হামিদ হোসেন (২৬) নামের এক রোহিঙ্গা যুবকের কাছ থেকে ২ হাজার ৮শ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তিনি কক্সবাজারের টেকনাফের লেদা রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের বাসিন্দা।
অন্যদিকে, রবিবার সকাল ১১টার দিকে কক্সবাজার সদর থানার নতুন বাহারছড়ার ৬ নম্বর বিআইডব্লিউটিএ ঘাটের পল্টুনে অভিযান চালিয়ে অনিকা আক্তার প্রকাশ প্রিয়া (১৯) নামের এক তরুণীকে গ্রেফতার করা হয়। তার ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে ৭ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তিনি উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে বসবাস করেন।
ডিএনসির কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক সোমেন মন্ডল জানান, অনিকা আক্তারের বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে। চট্টগ্রাম জেলার পৃথক অভিযানে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কর্ণফুলী ও চন্দনাইশ থানায় মামলা হয়েছে।


