...|...|...

বিশ্ব

ইয়েমেনি বাহিনীর হামলায় ১২৯ ইরানপন্থি যোদ্ধা নিহত

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ২:২২
Shares
ইয়েমেনি বাহিনীর হামলায় ১২৯ ইরানপন্থি যোদ্ধা নিহত

ছবি: সংগৃহীত

ইয়েমেনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় তাইজ প্রদেশে গত ৪৮ ঘণ্টায় সংঘর্ষ ও বিমান হামলায় ১২৯ হুথি যোদ্ধা নিহত এবং ১৭৬ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। সোমবার (১৯ অক্টোবর) গভীর রাতে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বার্তাসংস্থা আনাদোলু বলছে, সেনাবাহিনীর ‘তাইজ মিলিটারি অ্যাক্সিস কমান্ড’ জানায়, তাইজ শহরের দক্ষিণে আল-মিসরাখ জেলায় হুথিদের অবস্থান লক্ষ্য করে সরকারি বাহিনীর অভিযান টানা দ্বিতীয় দিনের মতো অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় যোদ্ধা ও বাসিন্দাদের সহায়তায় পরিচালিত এ অভিযানে হুথিরা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, আল-আকরুদ ফ্রন্টে হুথিদের একটি অবস্থানে অভিযান চালিয়েছে সেনাবাহিনী। এ ছাড়া সোমবার সন্ধ্যায় তাইজ প্রদেশজুড়ে হুথিদের অবস্থান, অস্ত্র, সামরিক সরঞ্জাম, গোলাবারুদের ভাণ্ডার ও যোদ্ধাদের জমায়েত লক্ষ্য করে ১৩টি বিমান হামলা চালানো হয়েছে।

সেনাবাহিনীর এ দাবির বিষয়ে হুথিদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ তাইজ প্রদেশটি ইয়েমেনের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেছে। অন্তর্বর্তীকালীন রাজধানী এডেনের সঙ্গে দেশটির মধ্য ও উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগ এবং সরবরাহের ক্ষেত্রেও প্রদেশটি গুরুত্বপূর্ণ। লোহিত সাগরের তীরে অবস্থিত মোখা বন্দরও এ প্রদেশে, যা গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মানদাব প্রণালীর কাছে অবস্থিত।

জুলাইয়ে লড়াই তীব্র হওয়ার পর থেকে সরকারি বাহিনী ও তাদের মিত্ররা বিভিন্ন ফ্রন্টে অগ্রগতির দাবি করে আসছে। এর মধ্যে বাব আল-মানদাব প্রণালী ও ধুবাব জেলার কিছু এলাকার নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারের দাবিও রয়েছে।

অন্যদিকে, তাইজের গ্রামীণ এলাকায় অগ্রসর হওয়ার পর হুথিরা শহরটির উত্তর, পশ্চিম ও পূর্ব দিকের উঁচু এলাকাগুলো থেকে অবরোধ আরও জোরদার করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে হুথিরা রাজধানী সানা ও আরও কয়েকটি প্রদেশের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর ইয়েমেনে সংঘাত শুরু হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের সমর্থনে ২০১৫ সালের মার্চে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট হস্তক্ষেপ করে।

বর্তমানে ইয়েমেনের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের বড় অংশ হুথিদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অন্যদিকে, এডেনসহ দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে সরকারি বাহিনী ও তাদের মিত্ররা।