...|...|...

বিশ্ব

ইউটিউবে দেখাতেন স্বর্ণ-টাকা, রাতে সব নিয়ে গেল চোর

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:০৯
Shares
ইউটিউবে দেখাতেন স্বর্ণ-টাকা, রাতে সব নিয়ে গেল চোর

ছবি: সংগৃহীত

অনলাইনে নিজের সোনার গয়না, কেনাকাটা ও পরিবারের ঐশ্বর্যের ঝলক দেখিয়ে নিয়মিত ভিডিও প্রকাশ করতেন ভারতের তামিলনাড়ুর  ইউটিউবার মধুমিতা। তবে এবার সেই পুরনো ভিডিওগুলোর কারণেই নতুন করে আলোচনায় এসেছেন তিনি। কোয়েম্বাটোরের এই ইউটিউবারের নাগারকয়েলের বাড়িতে চুরির ঘটনায় ১১৮ ভরি (সভরিন) ওজনের সোনার গয়না খোয়া গেছে। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ১ কোটি টাকা।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্য অনুযায়ী, মধুমিতা জীবনধারা বিষয়ক ভিডিও তৈরি করেন। তাঁর ভিডিওতে পারিবারিক মুহূর্তের পাশাপাশি সোনা কেনা, গয়না ও ব্যক্তিগত জীবনের বিভিন্ন দিক উঠে আসে। প্রায় ১০ মাস আগে শিবকাশির ব্যবসায়ী স্বামী বিনোথ কুমারের সঙ্গে নাগারকয়েলের কাছে থাম্মাতু কোনাম এলাকায় একটি বাড়ি কিনে সেখানে বসবাস শুরু করেন তিনি।

সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে পরিবারের সোনার গয়না ও নগদ অর্থ দেখানো বিভিন্ন ভিডিওও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন মধুমিতা। আলোচিত একটি ভিডিওতে তাঁদের বাড়ির পূজার ঘরে রাখা সোনার গয়না দেখা গিয়েছিল বলে জানা গেছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে মধুমিতা ও তাঁর স্বামী বাড়ি থেকে বের হন। রাত ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে তাঁরা বাড়িতে ফিরে সদর দরজা খুলতে পারেননি। পরে একজন কাঠমিস্ত্রিকে ডাকা হয়। তিনি রাত ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে সেখানে পৌঁছালে দেখা যায়, পেছনের দরজা ভেঙে বাড়িতে প্রবেশ করেছে চোরেরা।

এরপর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে আলমারিতে রাখা সোনার গয়না খুঁজে পাননি দম্পতি। পরে তাঁরা রাজাক্কামঙ্গলাম থানায় খবর দেন।

পুলিশ জানিয়েছে, ১১৮ ভরি (সভরিন) ওজনের সোনার গয়না চুরি হয়েছে। শুক্রবার সকালে এসপি অংশুল নাগরসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। চোরদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ছয়টি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি এলাকার সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এদিকে চুরির খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মধুমিতার পুরনো ভিডিওগুলো আবারও ছড়িয়ে পড়ে। এসব ভিডিওতে তাঁকে সোনার গয়না ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী প্রদর্শন করতে দেখা যায়। এ নিয়ে কেউ কেউ তাঁর সমালোচনাও করছেন। তাঁদের দাবি, অনলাইনে দামি জিনিসপত্র প্রদর্শন করলে তা অনাকাঙ্ক্ষিত দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে।

তবে মধুমিতার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট দেখে চোরেরা বাড়িটির সন্ধান পেয়েছিল কি না, কিংবা তাঁর ভিডিওগুলোর সঙ্গে চুরির কোনো যোগসূত্র আছে কি না—এ বিষয়ে পুলিশ এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য দেয়নি।