যুক্তরাজ্যে মার্কিন ব্যবহৃত আরএএফ ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটির কাছে গ্রেফতার হওয়া পাঁচ ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের নজরদারিতে ছিলেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাদের বিমানঘাঁটির বড় ধরনের ক্ষতি করার পরিকল্পনা ছিল বলেও দাবি করেন তিনি।
সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা জানায়, রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাজ্যের পুলিশ ফেয়ারফোর্ডের কাছে পাঁচ ব্যক্তিকে বিস্ফোরক-সংক্রান্ত অপরাধ এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে গ্রেফতার করে। এর আগে স্থানীয় সময় রাত ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে বিমানঘাঁটির দিকে এগিয়ে যাওয়া তিনটি সন্দেহজনক যানবাহন সম্পর্কে পুলিশকে জানানো হয়।
ট্রাম্প বলেন, সন্দেহভাজনরা বড় ধরনের ক্ষতি করার পরিকল্পনা করছিলেন। ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সমন্বিত কার্যক্রমের মাধ্যমে তাদের আটক করা সম্ভব হয়েছে বলেও জানান তিনি। তবে তদন্তকারীরা এখনো ঘটনার পূর্ণাঙ্গ পরিস্থিতি নির্ধারণের কাজ করছেন।
গ্রেফতারের পর বিমানঘাঁটির আশপাশে ৪০০ মিটারের নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করা হয়। তিনটি যানবাহন পরীক্ষা করতে সেনাবাহিনীর বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়কারী দল কাজ করে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে কাছাকাছি এলাকার প্রায় ৮৫টি পরিবারের সদস্যদের বাড়ি ছাড়তে বলা হয়।
ব্রিটিশ কাউন্টার টেররিজম পুলিশ জানিয়েছে, পাঁচজনই এখনো হেফাজতে রয়েছেন এবং তদন্ত প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। এ ঘটনায় কারা জড়িত বা হামলার সম্ভাব্য উদ্দেশ্য কী ছিল, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।
আরএএফ ফেয়ারফোর্ড যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটি। ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সংঘাতে সেখান থেকে মার্কিন বি-১ ও বি-৫২ বোমারু বিমান অভিযান পরিচালনা করেছে। তবে গ্রেফতার হওয়া পাঁচজনের সঙ্গে ইরানের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ।


