...|...|...

জাতীয়

আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলতে পারি, এক টাকাও দুর্নীতি করিনি

আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলতে পারি, এক টাকাও দুর্নীতি করিনি

Times Today
প্রকাশ: ১১ মে ২০২৬, ভোর রাত ৫:০৬ | আপডেট: ৩০ আগস্ট ২০২৬, রাত ১১:৫১
Shares
আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলতে পারি, এক টাকাও দুর্নীতি করিনি

 

‘আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলতে পারি এক টাকাও দুর্নীতি করিনি’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সদ্য সাবেক সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া পোস্টে এ কথা বলেন তিনি।

 দায়িত্বের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি টানার পর আর্থিক ক্ষতি ও পারিবারিক কারণ দেখিয়ে বিদেশে গেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন নানা আলোচনা–সমালোচনার প্রেক্ষাপটে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব নীরব।

নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ও কটূক্তির বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি লেখেন, ‘একজন আত্মমর্যাদা সম্পন্ন এবং সৎ ব্যক্তিকে দুটো অসম্মানজনক কটু কথা শোনানোর আগে, তথ্য যাচাই-বাছাই করে নেবেন, চাওয়াটা খুব বেশি বড় না। বিদায়ের সময় এক সহকর্মী জিজ্ঞেস করেছিল পরে কি করবেন? বলেছি একটা চাকরি খুঁজতে হবে দ্রুত। দেশের জন্য কাজ করতে এসে ফাইনান্সিয়ালি অনেক লোকসান হয়েছে। সেভিংস যা ছিল সব শেষ হয়েছে।’

দ্রুত দেশ ছাড়ার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘ছেলের স্কুলে প্যারেন্টস মিটিং আছে প্লাস স্ত্রীর মেডিকেল ইমার্জেন্সি আছে। ছুটি চেয়ে যথাযথভাবেই পরিবারের কাছে যাচ্ছি। আরও একটা তথ্য দেই, রিটার্ন টিকিট কেটে এসেছি। একটা দীর্ঘ সময় সন্তান ও পরিবারকে সময় দিতে পারিনি, পরিবারকে কিছুটা সময় দিতে হবে। প্লাস আজকে ভ্যালেন্টাইন ডে।’

এর আগে, গতকাল শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ১০ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি দুবাই হয়ে তিনি জার্মানি যান।

ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব ২০২৫ সালের ৫ মার্চ প্রতিমন্ত্রী মর্যাদায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী নিযুক্ত করা হয়। তিনি টেলিযোগাযোগ সংক্রান্ত বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম হাতে নেন। এসব সংস্কার করতে গিয়ে বেশ আলোচিত এবং সমালোচিত হন ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।

দুদকের তদন্ত চলাকালেই একটি প্রকল্পে যন্ত্রপাতি কেনার জন্য সুপারিশ করেছিলেন ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব।