...|...|...

বিনোদন

স্ত্রীর কাছ থেকে ৩৫ বছর আলাদা থেকেও আইনি বিচ্ছেদে যাননি নানা পাটেকর

টাইমস টুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ৯ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ১২:৩২ | আপডেট: ৯ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ১:৫৭
Shares
স্ত্রীর কাছ থেকে ৩৫ বছর আলাদা থেকেও আইনি বিচ্ছেদে যাননি নানা পাটেকর

ছবি: সংগৃহীত

বলিউডের জনপ্রিয় ও প্রবীণ অভিনেতা নানা পাটেকারের মৃত্যুতে শোকের আবহ পুরো ভারতজুড়ে। সিনেমা ভুবনের এই শক্তিশালী অভিনেতার মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ সবাই। অভিনেতার মৃত্যুর পর থেকেই তার বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। বিশেষ করে তার স্ত্রী নীলকান্তি পাটেকারের সাথে তার অদ্ভুত সম্পর্ক এবং নব্বইয়ের দশকে অভিনেত্রী মনীষা কৈরালার সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন ফের শিরোনামে উঠে এসেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার সূত্রে জানা গেছে।

তৎকালীন অভিনেত্রী নীলকান্তিকে বিয়ে করেছিলেন নানা পাটেকার। নীলকান্তি ১৯৮৯ সালে ‘আত্মবিশ্বাস’ ছবির জন্য মহারাষ্ট্র সরকারের সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছিলেন। নানা ও নীলকান্তি দুজনই তাদের ব্যক্তিগত জীবন সবসময় প্রচারের আড়ালে রাখতেন। জানা যায়, প্রায় ৩৫ বছর একে অন্যের থেকে আলাদা থাকতেন তারা।

কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, এত বছর আলাদা থাকা সত্ত্বেও তাদের আইনি বিবাহবিচ্ছেদ হয়নি। এমনকি মিডিয়ায় বা ইন্ডাস্ট্রিতেও এ নিয়ে তেমন উচ্চবাচ্য হয়নি। এক সাক্ষাৎকারে নানা পাটেকার তাদের এই সম্পর্কের কথা বলতে গিয়ে জানান, তাদের স্বভাব ও চিন্তাভাবনায় বিস্তর ফারাক ছিল।

আলাদা থাকলেও ব্যক্তিজীবনে স্ত্রীর অবদানের কথাও সবসময় স্বীকার করতেন প্রয়াত অভিনেতা। স্বভাব ও মতের অমিল থাকলেও নীলকান্তিকে সবসময় আইনি স্ত্রী হিসেবেই স্বীকৃতি দিয়ে গেছেন নানা পাটেকার।

এদিকে নানা পাটেকারের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে চর্চায় বারবার উঠে এসেছে মনীষা কৈরালার নাম। অনেকের ধারণা, মনীষার জন্যই তাদের মধ্যে দূরত্ব দেখা দেয়। ‘অগ্নিসাক্ষী’তে একসাথে কাজ করার সময় নানা ও মনীষার ঘনিষ্ঠতা নিয়ে নব্বইয়ের দশকে জল্পনা তুঙ্গে ছিল। যদিও দুজনের কেউই কখনো প্রকাশ্যে এ ব্যাপারে মুখ খোলেননি।

তবুও নানা পাটেকারের প্রয়াণে সামাজিক মাধ্যমে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন মনীষা কৈরালা। তিনি লিখেছেন, এক মহান অভিনেতা ও অসাধারণ ব্যক্তিত্বের প্রয়াণে তিনি গভীরভাবে শোকাহত।

নানা পাটেকারের এই জটিল দাম্পত্য জীবন ও সম্পর্কের সমীকরণ আজও অনুরাগীদের কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।