...|...|...

সারাদেশ

সিরাজগঞ্জের সাবেক এসপি আরিফুর রহমান মণ্ডল বরখাস্ত

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকেল ৪:৫৯
Shares
সিরাজগঞ্জের সাবেক এসপি আরিফুর রহমান মণ্ডল বরখাস্ত

দীর্ঘদিন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে সিরাজগঞ্জের সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) আরিফুর রহমান মণ্ডলকে সরকারি চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে সরকার। একই প্রজ্ঞাপনে পুলিশের আরও পাঁচ কর্মকর্তাকেও বরখাস্ত করা হয়েছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী আরিফুর রহমান মণ্ডলের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে ২০২৪ ও ২০২৫ সালে দায়ের করা বিভাগীয় মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন আরিফুর রহমান মণ্ডল। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। তবে নির্ধারিত সময়ে তিনি কোনো জবাব দেননি।

পরে সরকারি দায়িত্ব পালনে অবহেলা, কর্তৃপক্ষের আদেশ অমান্য এবং বিভাগীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এর আগে, ২০২৫ সালের ২ জুলাই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা আদেশে আরিফুর রহমান মণ্ডলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। ওই আদেশে বলা হয়, সিরাজগঞ্জ জেলার সাবেক পুলিশ সুপার এবং পরবর্তীতে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত থাকা অবস্থায় তিনি কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই ২০২৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন।

সরকারি চাকরি বিধিমালা, ২০১৮ এর বিধি ৩(গ) অনুযায়ী ‘পলায়ন’ এর অপরাধে অভিযুক্ত হওয়ায় বিধি ১২ এর উপবিধি (১) অনুযায়ী তাকে অনুপস্থিতির তারিখ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। সাময়িক বরখাস্তকালীন সময়ে বিধি অনুযায়ী তিনি খোরপোশ ভাতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়।

পরবর্তীতে বিভাগীয় মামলার প্রক্রিয়ায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এবার তাকে সরকারি চাকরি থেকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।

আরিফুর রহমান মণ্ডল সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। পরবর্তীতে তাকে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়।