সম্পর্কে মতবিরোধ বা ঝগড়া হওয়া স্বাভাবিক। তবে কিছু আচরণ ধীরে ধীরে সঙ্গীদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি করে সম্পর্ককে বিচ্ছেদের দিকে ঠেলে দিতে পারে। গবেষণার ভিত্তিতে ক্যারি কোল এমন চারটি আচরণ চিহ্নিত করেছেন, যেগুলো সম্পর্কে বড় ধরনের সংকটের ইঙ্গিত দিতে পারে-সমালোচনা, অবজ্ঞা, আত্মপক্ষ সমর্থনের মনোভাব এবং নীরবতা।
কোল বলেন, এই চারটি আচরণ সম্পর্ক ধ্বংস করে দিতে পারে। তবে দুজন এগুলো ঠিক করতে চাইলে করা সম্ভব।
একটি গবেষণায় দেখা গেছে, সঙ্গীর কাছ থেকে ক্রমাগত সমালোচনা অকালমৃত্যুর সাথে উল্লেখযোগ্যভাবে সম্পর্কিত। এর সাথে আগ্রাসন ও বৈরিতা যুক্ত হলে শেষ পর্যন্ত বিচ্ছেদের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তবে গঠনমূলক ঝগড়া সম্পর্ককে শক্তিশালীও করতে পারে। এক্ষেত্রে দুজন সম্মান, কৌতুহল এবং সহানুভূতির সাথে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেন। এখানে একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে সংবেদনশীলতা।
এই অনুভূতি যে আপনার সঙ্গী আপনার কথা শোনেন, সমর্থন করেন এবং বোঝেন। সঙ্গী সংবেদনশীল হলে জীবনে বেশি সন্তুষ্টি থাকে। এটি প্রদাহ কমাতে এবং শারীরিক স্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু বাড়াতেও সাহায্য করতে পারে। দয়া ও সহযোগিতাও দীর্ঘমেয়াদী ভালো সম্পর্ক তৈরি করতে পারে।
বিবাহিত দম্পতিদের নিয়ে ২০ বছরের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, দুজনে মিলে সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং ঘরের কাজ সমানভাবে ভাগ করে নেওয়া বেশি দাম্পত্য সুখের সঙ্গে সম্পর্কিত। এতে ঝগড়াও কম হয়। গবেষণায় দেখা গেছে- ঝগড়া বেশি তিক্ত হলে ঘুম খারাপ হয়, আর গঠনমূলক হলে ঘুম ভালো হয়।


