ইরানের বিরুদ্ধে নতুন কোনো মার্কিন হামলায় সহায়তাকারী যেকোনো দেশকে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। একই সঙ্গে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত হানার সক্ষমতা রয়েছে বলেও দাবি করেছে বাহিনীটি।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আল-আলমের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডারের প্রধান উপদেষ্টা আলী রেজা বালালি বলেছেন, “নতুন কোনো আগ্রাসনের ঘটনা ঘটলে, যে দেশ বা শক্তি ইরানকে আক্রমণ করার ক্ষেত্রে আমেরিকাকে সহায়তা করবে, তারা ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের জন্য একটি বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারে।”
বালালি দাবি করেন, ইরান ইতোমধ্যে এমন সব অত্যাধুনিক অস্ত্র তৈরি করেছে, যেগুলো দিয়ে ইসরায়েলি ও মার্কিন সামরিক স্থাপনায় আঘাত হানা সম্ভব।
তিনি বলেন, “আমাদের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলোতে এমন সব দেশীয় অস্ত্র রয়েছে, যা জায়নবাদী শাসন (ইসরায়েল) এবং আমেরিকান ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার মতো যথেষ্ট পাল্লার অধিকারী।”
আইআরজিসির এই উপদেষ্টা আরও দাবি করেন, এর আগেও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের নেগেভ ও দিমোনায় সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের এসব ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে শত্রুপক্ষের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সক্ষম নয়।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন শেষ হওয়ার পর থেকে ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলার আশঙ্কায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে উপসাগরীয় দেশগুলো। বিশেষ করে সম্ভাব্য হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরান পাল্টা আঘাত হানতে পারে—এমন আশঙ্কায় অঞ্চলজুড়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।


