নীলফামারীর ডিমলায় মাদক সেবনের অভিযোগে একসঙ্গে তিন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করে জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাতে জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে তাদের বিরুদ্ধে এ প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এর আগে একই থানার কনস্টেবল রমজান আলীকেও প্রত্যাহার করা হয়।
প্রত্যাহার হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন-ডিমলা থানার কনস্টেবল মো. তালাত মাহমুদ, মো. শামীম ইসলাম ও মো. মশিউল হক।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ডিমলা সদর ইউনিয়নের ইসলামিয়া ডিগ্রি কলেজ মোড় এলাকার বাসিন্দা মোতাহার হোসেন সোহেল নিজ বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে মাদকের কারবার ও অসামাজিক কার্যকলাপ চালিয়ে আসছিলেন। গত ১১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় ওই আস্তানায় সন্দেহভাজন লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা বাড়িটি ঘেরাও করেন। পরিস্থিতি টের পেয়ে ভেতরে থাকা ব্যক্তিরা পালানোর চেষ্টা করলে কনস্টেবল রমজান আলীকে হাতেনাতে চিনে ফেলেন এলাকাবাসী।
পরবর্তীতে অনুসন্ধানে অন্য তিন কনস্টেবলেরও ওই আস্তানায় নিয়মিত যাতায়াত ও মাদক সেবনের প্রমাণ পাওয়ার দাবি করা হয়।
বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হলে নীলফামারী জেলা পুলিশ প্রশাসনের নজরে আসে। পরে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা হিসেবে ওই তিন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করার আদেশ দেওয়া হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে এমন শৃঙ্খলাভঙ্গ ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুল ইসলাম জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তিন কনস্টেবলকে ক্লোজড করা হয়েছে।


