...|...|...

আইন ও আদালত

মাওলানা আজাদের আপিল নিয়ে যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকেল ৫:৩২
Shares
মাওলানা আজাদের আপিল নিয়ে যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর

চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) কোনো রায়ের বিরুদ্ধে নির্ধারিত ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে পরবর্তীতে সেই আপিল গ্রহণের সুযোগ থাকবে না বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেছেন, এই নিয়ম সবার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। সেটি শেখ হাসিনা কিংবা মাওলানা আবুল কালাম আজাদ—যেই হোন না কেন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিল প্রসঙ্গে এসব কথা বলেন তিনি।

চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, কোনো আসামি পলাতক থাকুন কিংবা কারাগারে থাকুন, ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যেই তাকে আপিল করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল না করলে পরবর্তীতে তার জন্য আপিলের সুযোগ থাকবে না।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, আইনের ২১(৩) ধারায় রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল দায়েরের বিধান রয়েছে। একই সাথে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল না করলে তা আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও আইনে উল্লেখ রয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২০১৩ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল জামায়াতের সাবেক নেতা মাওলানা আবুল কালাম আজাদকে মৃত্যুদণ্ড দেন। বিভিন্ন টেলিভিশন অনুষ্ঠানে ইসলামিক অনুষ্ঠান উপস্থাপনার মাধ্যমে তিনি পরিচিতি লাভ করেন।

গত বছরের অক্টোবরে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তার সাজা এক বছরের জন্য স্থগিত করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

দীর্ঘ ১৩ বছর পলাতক থাকার পর চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করেন। পরে তিনি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে খালাস চেয়ে আপিল করেন।

রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ওই আপিলের বিষয়ে আদেশের জন্য দিন নির্ধারিত ছিল। তবে এদিন আপিলের বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত আদেশ দেওয়া হয়নি।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, মাওলানা আবুল কালাম আজাদ ট্রাইব্যুনাল থেকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার পর দীর্ঘ সময় দেশের বাইরে ছিলেন। তবে আইনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল না করার কারণে তার আপিল গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে আইনি প্রশ্ন রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আইন অনুযায়ী নির্ধারিত ৩০ দিনের সময়সীমার মধ্যে আপিল না করলে পরে আর কোনো আসামির আপিল গ্রহণের সুযোগ থাকবে না।