...|...|...

আইন ও আদালত

স্নাইপার নিয়ে মন্তব্য

কমেন্টটি মজা করে করছি, কোনো উদ্দেশ্য ছিল না

টাইমস টুুডে প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, বিকেল ৩:৫৩ | আপডেট: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, বিকেল ৩:৫৫
Shares
কমেন্টটি মজা করে করছি, কোনো উদ্দেশ্য ছিল না

ছবি: সংগৃহীত

ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বহনকারী বাসের ছবি সংবলিত একটি পোস্টে ‘ইস একটা বড় সুযোগ ছিল, শুধু একটা স্নাইপারের অভাব ছিল’ এমন কমেন্ট করার অভিযোগে গ্রেফতার মো. আবু বকর সিদ্দিক (২২) নামের যুবককে ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আদালতে শুনানিতে এই যুবক বলেন, ‘কমেন্টটি মজা করে করছি। কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। ভুল হয়ে গেছে।’

রবিবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ্ ফারজানা হক রিমান্ডের এ আদেশ দেন।

এদিন আসামিকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অর্গানাইজড ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম ডিবি সাইবার এন্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগের উপপরিদর্শক মো. ইয়াছিন পাইকের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর সামছুদ্দোহান সুমন রিমান্ডের জোর দাবি জানান। আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী ছিল না। তবে শুনানি চলাকালে বিচারক আসামির কিছু বলার আছে কী না জিজ্ঞেস করলে আসামি বলেন, ‘কমেন্টটি মজা করে করছি। কোনো উদ্দেশ্য ছিলো না। ভুল হয়ে গেছে।’

পরে বিচারক তাকে ৭ দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

রাষ্ট্রপক্ষের এ আইনজীবী শুনানি শেষে গণমাধ্যমে বলেন, ‘আসামি বলেছে তার ভুল হয়ে গেছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর বাসের ছবিতে এটা নিছক কোনো কমেন্ট ছিল না। রহস্য উদঘাটন করতে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।’

এদিকে রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, মামলার প্রকৃত রহস্য উদ্‌ঘাটন এবং এজাহারে উল্লেখ করা অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জনকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে আসামিকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। আবেদনে বলা হয়, আসামি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে স্বীকার করেছেন। মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটন, বাংলাদেশের সরকারপ্রধানকে হত্যার চক্রান্তে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত ও গ্রেপ্তার, এ ঘটনার নেপথ্যে কোনো সুসংগঠিত সন্ত্রাসী গোষ্ঠী, স্নাইপার বা অস্ত্র সরবরাহকারী চক্র জড়িত রয়েছে কি না, তা অনুসন্ধান করা প্রয়োজন।

এ ছাড়া গ্রেফতার আসামি কোনো সুসংগঠিত সন্ত্রাসী গোষ্ঠী, চক্র বা নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্য কি না এবং ঘটনার সাথে কোনো চক্র বা মাস্টারমাইন্ডের সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

আরও বলা হয়, আসামির কাছ থেকে জব্দ করা আলামতের পাশাপাশি অন্য কোনো ডিভাইস বা ডিজিটাল আলামত রয়েছে কি না, তা শনাক্ত, উদ্ধার ও জব্দ করা এবং বাংলাদেশের অখণ্ডতা, সংহতি, জননিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করার সঙ্গে অন্য কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী জড়িত রয়েছে কি না, তা অনুসন্ধান করা প্রয়োজন।