পবিত্র মদিনার মসজিদে নববীতে নারীদের জন্য ইসলামি আলোচনা, কোরআন-হাদিসের দরস ও আলেমদের বয়ান শোনার বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে। মসজিদের পূর্ব ও পশ্চিম সম্প্রসারিত অংশে নির্ধারিত কয়েকটি স্থান থেকে নারীরা এসব আলোচনা শুনতে পারেন। তবে পুরুষদের অংশে অবস্থান করা আলেমদের সরাসরি দেখা না গেলেও কাঠের নকশা করা বিশেষ প্রতিবন্ধকের আড়াল থেকে তাদের বক্তব্য শোনার সুযোগ রয়েছে।
সম্প্রতি এ বিষয়ে একটি নির্দেশনামূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ইসলামবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইসলামিক ইনফরমেশন’। প্রতিবেদনে নারীদের দরস শোনার নির্দিষ্ট স্থান, প্রবেশপথ এবং সম্ভাব্য সময়সূচি তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মসজিদে নববীর পূর্ব সম্প্রসারিত অংশে ২৬ ও ২৪ নম্বর প্রবেশপথ দিয়ে নারীরা দরস শোনার নির্ধারিত স্থানে যেতে পারেন।
২৬ নম্বর গেট দিয়ে প্রবেশ করে সামনের দিকে এগিয়ে প্রত্যাহারযোগ্য গম্বুজের কাছাকাছি পূর্ব দেয়ালসংলগ্ন স্থানে অবস্থান করতে হয়। অন্যদিকে ২৪ নম্বর গেট দিয়ে প্রবেশের পর ডান দিকে তির্যকভাবে এগিয়ে বাদামি রঙের কাঠের নকশা করা প্রতিবন্ধকের কাছে গেলে আলেমদের বক্তব্য শোনা যায়।
এ ছাড়া পশ্চিম সম্প্রসারিত অংশেও নারীদের জন্য দুটি প্রবেশপথ রয়েছে। ১৭ নম্বর গেট দিয়ে প্রবেশ করে সামনের প্রথম প্রত্যাহারযোগ্য গম্বুজের বাম পাশে অবস্থান করতে হয়। আর ১৬ নম্বর গেট দিয়ে প্রবেশ করে সোজা সামনে এগিয়ে কাঠের নকশা করা প্রতিবন্ধকের কাছে গেলে দরস শোনা সম্ভব।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাধারণত ফজর, আসর ও মাগরিবের নামাজের পর মসজিদে নববীতে ইসলামি আলোচনা ও দরস অনুষ্ঠিত হয়।
এসব আলোচনায় অংশ নেওয়া আলেমদের মধ্যে রয়েছেন শায়খ আবদুর রাজ্জাক আল বদর, শায়খ সুলাইমান আর রুহাইলি, শায়খ আবদুল্লাহ জাহিম, শায়খ হাসান বুখারি এবং শায়খ আবদুল লতিফ আশ শাম্মানি।
এ ছাড়া হারামাইন শরিফাইনের ইমামদের বিভিন্ন আলোচনা শোনারও সুযোগ রয়েছে। তাদের মধ্যে শায়খ আবদুর রহমান আস সুদাইসের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
মসজিদে নববীতে ইসলামি আলোচনা ও দরসের সময়সূচি সব সময় এক রকম থাকে না। পরিস্থিতি, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং অন্যান্য কারণে নির্ধারিত স্থান ও সময় পরিবর্তিত হতে পারে।


