...|...|...

জাতীয়

ভোটারের এনআইডি ও মোবাইল নম্বর সংগ্রহে নিষেধাজ্ঞা

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ১:০২ | আপডেট: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকেল ৪:২৮
Shares
ভোটারের এনআইডি ও মোবাইল নম্বর সংগ্রহে নিষেধাজ্ঞা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচারের সময় ভোটারদের জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) নম্বর ও মোবাইল নম্বর সংগ্রহে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোট কেনাবেচা এবং মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমে অর্থ লেনদেন ঠেকাতে সিটি করপোরেশন নির্বাচন আচরণবিধিতে প্রথমবারের মতো এ নিষেধাজ্ঞা যুক্ত করা হয়েছে।

গত ১ সেপ্টেম্বর ইসির সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত সিটি করপোরেশন নির্বাচন আচরণবিধির গেজেট প্রকাশ করা হয়। নতুন বিধিমালায় বলা হয়েছে, প্রার্থীর পক্ষে বা বিপক্ষে ভোটারকে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে ভোটার বা তার পরিবারের সদস্যদের ব্যক্তিগত এনআইডি নম্বর এবং মোবাইল আর্থিক সেবায় লেনদেনের জন্য মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করা যাবে না।

এ বিধান ভঙ্গ করলে জেল-জরিমানার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলের সুযোগ রাখা হয়েছে।

নতুন আচরণবিধিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার রোধ, সরকারি অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নির্বাচনী প্রচারে অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞা এবং পরিবেশবান্ধব প্রচারণার বিষয়ও যুক্ত করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে পৌরসভা, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের জন্য পৃথক আচরণবিধি জারি করা হবে বলে জানিয়েছে ইসি।

আচরণবিধিতে রঙিন ও কাগজের পোস্টার নিষিদ্ধ রাখা হয়েছে। ব্যানার, লিফলেট, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডের আকারও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। সব প্রচারসামগ্রী সাদা-কালো হতে হবে এবং তাতে মুদ্রণের তারিখ উল্লেখ করতে হবে। পলিথিনের আবরণ বা পিভিসি ব্যবহার করা যাবে না।

ব্যানার সর্বোচ্চ ১০ ফুট বাই ৪ ফুট, লিফলেট ও হ্যান্ডবিল এ-ফোর আকার, ফেস্টুন ১৮ ইঞ্চি বাই ২৪ ইঞ্চি এবং বিলবোর্ড সর্বোচ্চ ১৬ ফুট বাই ৯ ফুট করা হয়েছে।

নির্বাচন বিশ্লেষক আব্দুল আলীমের মতে, ভোটারদের এনআইডি ও মোবাইল নম্বর সংগ্রহের বিষয়টি সরাসরি আচরণবিধিতে যুক্ত হওয়ায় প্রার্থীরা সতর্ক থাকবেন এবং ইসির আইনগত ব্যবস্থা নেওয়াও সহজ হবে। তবে রাজনৈতিক দলগুলোর স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অনানুষ্ঠানিক সম্পৃক্ততার বিষয়ে আচরণবিধিতে আরও স্পষ্ট নির্দেশনা থাকা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।