...|...|...

চট্টগ্রাম

ভারতের আগ্রাসন ঠেকাতে সজাগ থাকার আহ্বান পানিসম্পদমন্ত্রীর

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ আগস্ট ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:০৬ | আপডেট: ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ২:৩৮
Shares
ভারতের আগ্রাসন ঠেকাতে সজাগ থাকার আহ্বান পানিসম্পদমন্ত্রীর

পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। ছবি: সংগৃহীত

পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারতের সাথে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা জরুরি। তবে কোনো ধরনের আগ্রাসনের শিকার যেন দেশের মানুষ না হয়, সেজন্য সরকার ও জনগণ আরও বেশি সতর্ক থাকবে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে ফেনীর পরশুরামের ঘাটঘর এলাকায় মুহুরী নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, ভারতকে মনে রাখতে হবে বাংলাদেশ তাদের পার্শ্ববর্তী বন্ধু দেশ। দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও ইতিবাচক ও কার্যকর করার বিষয়ে ভারতকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভারত বাংলাদেশের  সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকবে।

দুর্নীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশে দুর্নীতি ও দুঃশাসনের প্রবণতা ছিল। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কাজ করছে। কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি যেন দুর্নীতি বা অনিয়মের মাধ্যমে ক্ষতি করতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার কথাও জানান তিনি।

মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে নদীভাঙন, জলাবদ্ধতা ও বন্যার ক্ষতি থেকে বৃহত্তর ফেনী অঞ্চলের মানুষ উপকৃত হবে। জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন হলে ক্ষতিগ্রস্তদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, আগামী মাসের শেষ দিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফেনী সফরে এসে প্রকল্পের কাজ উদ্বোধন করবেন। ২০৩০ সালের মধ্যে প্রকল্পটির কাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে একনেক সভায় ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকার ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ অনুমোদন দেওয়া হয়।

প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৬৭ দশমিক ৯২ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন, ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ, ৮৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাধার পুনঃখনন, ২৭টি সেচ অবকাঠামো পুনর্বাসন এবং ৭৭টি ইনলেট নির্মাণ করা হবে। পরবর্তী পর্যায়ে মুহুরী ও কহুয়া নদীতে নতুন বাঁধ নির্মাণ এবং সিলোনিয়া নদীর সংস্কারের পরিকল্পনাও রয়েছে।