বৈরী আবহাওয়া কারণে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে গত ১০ দিন ধরে সব ধরনের যাত্রীবাহী ট্রলার ও সাধারণ নৌযান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। ফলে চিকিৎসা, নিত্য প্রয়োজনীয় সওদা ও জরুরি প্রয়োজনে মূল ভূখণ্ড টেকনাফে এসে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের শতাধিক বাসিন্দা।
টেকনাফের বিভিন্ন হোটেল ও আত্মীয়ের বাড়িতে দীর্ঘ দিন আটকে থাকার পর,তীব্র আর্থিক সংকট ও ঘরে ফেরার আকুলতায় শেষমেশ নিরুপায় হয়ে জীবনের চরম ঝুঁকি নিয়েছেন এই অসহায় মানুষগুলো। সেই সাথে একই ট্রলারে করে ক্ষতিগ্রস্থ ৩শ পরিবারের জন্য ত্রাণ সামগ্রী প্রেরণ করেছেন উপজেলা প্রশাসন।
শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে টেকনাফ পৌরসভা কায়ুকখালী ঘাট থেকে অন্তত ৫০-৬০ জন যাত্রী নিয়ে একটি কাঠের সার্ভিস ট্রলার সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে রওনা হয়। বর্তমানে সেন্টমার্টিন ও উপকূলবর্তী অঞ্চলে অবিরাম ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। যেকোনো মুহূর্তে উত্তাল সাগরের ঢেউ ট্রলারটিকে গ্রাস করতে পারে জেনেও অনেকটা ভাগ্যের ওপর ভরসা করেই ৩৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এই বিপজ্জনক নৌপথ পাড়ি দিচ্ছেন তারা। একই ট্রলারে করে ৩শ পরিবারের জন্য ত্রাণ সামগ্রী প্রেরণ করা হয়েছে। দ্বীপে বন্যার পানিতে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে এসব ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হবে।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস.এম.অনীক চৌধুরী জানান, আবহাওয়া অধিদফতর কর্তৃক বঙ্গোপসাগরের ৩নং সর্তক সংকেত উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে। সাগর অনেকটা শান্ত হওয়ায় আটকে পড়া সেন্ট মার্টিনের মানুষদের ট্রলারে করে যেতে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। একই ট্রলারে করে দ্বীপে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ৩শ পরিবারের জন্য ত্রাণ সামগ্রী পাঠানো হয়েছে।


