...|...|...

শিক্ষা

প্রাথমিকের ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক পদে বড় সুখবর

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ২৭ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ১২:৪০ | আপডেট: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ১০:২২
Shares
প্রাথমিকের ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক পদে বড় সুখবর

ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতা কাটিয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩২ হাজারের বেশি শূন্য প্রধান শিক্ষক পদ পূরণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর। এর অংশ হিসেবে মাঠ পর্যায়ে গ্রেডেশন তালিকা তৈরির কাজ চলছে।

তালিকা যাচাই-বাছাই ও অভিযোগ নিষ্পত্তির পর তা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সরকারি কর্ম কমিশনে (পিএসসি) পাঠানো হবে। পিএসসির অনুমোদন পাওয়া গেলে সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে এ প্রক্রিয়ায় দৃশ্যমান অগ্রগতি হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে।

অধিদফতরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশন বিভাগের পরিচালক মীর আব্দুল আউয়াল আল মেহেদী বলেন, মামলার জটিলতা ছিল। সেই মামলার জটিলতা নিষ্পত্তি হয়েছে। এখন মাঠ পর্যায়ে পদোন্নতির জন্য গ্রেডেশন তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। বাকি কাজ শিগগিরই শেষ হবে।

জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা ও পদোন্নতি নিয়ে আইনি জটিলতার কারণে এসব পদে বড় পরিসরে পদোন্নতি দেওয়া সম্ভব হচ্ছিল না।
২০১৩ সালে সারাদেশে বিপুলসংখ্যক বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ হয়। এসব বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সরকারি চাকরিতে অন্তর্ভুক্ত করার পর তাদের চাকরিকাল, জ্যেষ্ঠতা ও পদোন্নতি নির্ধারণ নিয়ে জটিলতা দেখা দেয়। এসংক্রান্ত বিধিমালার জ্যেষ্ঠতা ও পদোন্নতির বিধান চ্যালেঞ্জ করে আদালতে মামলা হলে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির প্রক্রিয়া আটকে যায়।

দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর চলতি বছরের ২ জুলাই আপিল বিভাগ জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা ও পদোন্নতি সংক্রান্ত বিধানের বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল মঞ্জুর করেন।

এর ফলে হাইকোর্টের রায়ের কারণে তৈরি হওয়া আইনি জটিলতার অবসান হয় এবং প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির পথ খুলে যায়। তবে আদালতের রায়ের পর সরাসরি পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে না। প্রথমে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে গ্রেডেশন তালিকা তৈরি করা হবে। এরপর তালিকা নিয়ে কোনো আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে তা নিষ্পত্তির সুযোগ দেওয়া হবে।

মীর আব্দুল আউয়াল আল মেহেদী বলেন, গ্রেডেশন তালিকা আমরা অনলাইনে উন্মুক্ত করে দিয়েছি। এখন বিভিন্ন ইউনিটে এটি প্রস্তুত করা হচ্ছে। তালিকা তৈরির পর একটি নোটিশ দেওয়া হবে।

তিনি জানান, তালিকা নিয়ে অভিযোগ জানানোর জন্য ৩০ কর্মদিবস সময় দেওয়া হবে। এ সময়ের মধ্যে কোনো অভিযোগ না এলে তালিকাটি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরে পাঠানো হবে। এরপর মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তা পিএসসিতে পাঠানো হবে। পিএসসির অনুমোদন পাওয়া গেলে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া যাবে।