সরকারি চাকরিজীবীদের সাধারণ ভবিষ্যৎ তহবিল বা প্রভিডেন্ট ফান্ডে (জিপিএফ) সুসংবাদ দিয়েছে সরকার। চলতি অর্থবছরেও জিপিএফের আমানতে ১১ থেকে ১৩ শতাংশ পর্যন্ত আকর্ষণীয় মুনাফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকার পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে তিন স্তরে এই মুনাফা নির্ধারিত হয়েছে। এর আগের অর্থবছরেও একই হারে মুনাফা পেয়েছিলেন সরকারি চাকরিজীবীরা।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের প্রবিধি অনুবিভাগের প্রবিধি-১ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, জিপিএফের প্রারম্ভিক স্থিতি ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত হলে ১৩ শতাংশ, ১৫ লাখ ১ টাকা থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত ১২ শতাংশ এবং ৩০ লাখ ১ টাকা বা তার বেশি হলে ১১ শতাংশ মুনাফা দেওয়া হবে। আগের অর্থবছরেও প্রারম্ভিক স্থিতির ক্ষেত্রে একই হার ছিল।
তবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে জমাকৃত চাঁদার ক্ষেত্রে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ১৩ শতাংশ, ১৫ লাখ ১ টাকা থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত ১২ শতাংশ এবং ৩০ লাখ ১ টাকা বা তার বেশি জমার ক্ষেত্রে ১১ শতাংশ মুনাফা নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত জমাকৃত চাঁদায় মুনাফা আগের অর্থবছরের তুলনায় এক শতাংশীয় পয়েন্ট বেড়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সাধারণ ও প্রদেয় ভবিষ্য তহবিলের জন্য নির্ধারিত হার সংশ্লিষ্ট বিধিমালার আওতায় নির্ধারণ করা হয়েছে। আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, করপোরেশনসহ প্রদেয় ভবিষ্য তহবিলভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো নির্ধারিত হারকে সর্বোচ্চ সীমা ধরে নিজস্ব বিধিবিধান অনুযায়ী কর্মচারীদের মুনাফার হার নির্ধারণ করতে পারবে।


