...|...|...

সারাদেশ

পূজা দেখে ফেরার পথে ট্রলারডুবি, মা-মেয়ে নিখোঁজ

পিরোজপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, রাত ১২:৫১
Shares
পূজা দেখে ফেরার পথে ট্রলারডুবি, মা-মেয়ে নিখোঁজ

অতিরিক্ত যাত্রী বহনের কারণে ট্রলারডুবি। ছবি: টাইমস টুডে

পিরোজপুরের নাজিরপুর ও নেছারাবাদ উপজেলার সীমান্তবর্তী শ্রীরামকাঠী-ভরতকাঠী ফেরিঘাট এলাকায় অতিরিক্ত যাত্রী বহনের কারণে একটি ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটেছে। পূজা দেখে ফেরার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। 

সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে ঘটে যাওয়া এ দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুই জন নিখোঁজ রয়েছেন।

​নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেন- নেছারাবাদ উপজেলার গুয়ারেখা ইউনিয়নের ভরতকাঠী গ্রামের সংকর বেপারীর স্ত্রী রিনা বেপারী (৩৫) এবং তাদের ৮ বছরের কন্যা সন্তান অর্পিতা বেপারী।

​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পেশায় ঢাকার এক প্রতিষ্ঠানের সিকিউরিটি গার্ড সংকর বেপারী দুর্গাপূজার ছুটিতে পরিবার নিয়ে ভরতকাঠীর গ্রামের বাড়িতে আসেন। সোমবার রাতে শ্রীরামকাঠী এলাকা থেকে পূজা দেখে ট্রলারযোগে স্বপরিবারে বাড়ি ফিরছিলেন তারা। রাত ৯টার দিকে ৫০ জনেরও বেশি যাত্রী ও ৬টি মোটরসাইকেল নিয়ে ট্রলারটি নাজিরপুর প্রান্ত থেকে ভরতকাঠী ফেরিঘাটের উদ্দেশ্যে ছাড়ার পরই অতিরিক্ত বোঝার কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীগর্ভে ডুবে যায়।

​ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও ট্রলারের এক যাত্রী জানান, ক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত যাত্রী ও কয়েকটি ভারী বাইক ওঠানোর কারণে ট্রলারটি ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে এবং নাজিরপুর প্রান্তেই ডুবে যায়। অধিকাংশ যাত্রী সাঁতরে ও স্থানীয়দের সহায়তায় কূলে উঠতে সক্ষম হলেও সংকর বেপারীর স্ত্রী ও শিশু সন্তান নিখোঁজ হন।

​দুর্ঘটনাকবলিত স্থান ও নিখোঁজদের উদ্ধার পরিস্থিতি তদারকি করতে দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন নাজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজিয়া শাহনাজ তমা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আহসান হাবিব এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাসরিন জাহান।

​উদ্ধার অভিযানের নাজিরপুর ফায়ার সার্ভিসের পরিদর্শক সোয়াইব হোসেন মুন্সি এবং পিরোজপুরের জেলা কর্মকর্তা রায়হানুর আশরাফ উপস্থিত আছেন।

নাজিরপুর ও নেছারাবাদ থানা পুলিশের একটি যৌথ টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছে। এ ব্যাপারে উপজেলা প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিসের পক্ষে থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

রাত ১১. ৫০ মিনিট এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিখোঁজ মা ও মেয়ের কোনো সন্ধান মেলেনি। তাদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় প্রশাসন নিরবচ্ছিন্ন অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।