ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় শহর নেতানিয়ায় অস্ত্র হাতে প্রকাশ্যে গুলি ছোড়ার পর পুলিশের গুলিতে এক ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছেন। এই ঘটনার পর এর প্রকৃত উদ্দেশ্য ও পেছনের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) আনাদোলু এজেন্সির বরাত দিয়ে ইসরায়েলি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নেতানিয়ার কিরিয়াত হাশারন পাড়ায় হাতে রাইফেল নিয়ে এক ব্যক্তি ঘুরে বেড়াচ্ছেন এবং এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ছেন—এমন খবর পাওয়ার পর সেখানে পুলিশ তলব করা হয়।
ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর ওই সেনা কর্মকর্তা বা বন্দুকধারী পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালান। এর ফলে উভয়পক্ষের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয় এবং পুলিশের গুলিতে ওই সেনা নিহত হন। তবে এই ঘটনায় অন্য কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ইসরায়েলি সংবাদপত্র ‘ইয়েদিওথ আহরোনোথ’-এর প্রতিবেদনে ওই বন্দুকধারীকে একজন সেনা হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে এবং জানানো হয়েছে যে, এই গুলিবর্ষণের পেছনের উদ্দেশ্য ও পরিস্থিতি তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম ‘কান’-ও জানিয়েছে যে, ওই সেনা অস্ত্র হাতে শহরজুড়ে ঘুরে বেড়িয়েছিলেন এবং ফাঁকা বা লক্ষ্যহীনভাবে গুলি ছুড়েছিলেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যের কথা প্রকাশ করা হয়নি।


