...|...|...

সারাদেশ

পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনালে আধুনিক ৫ কার্গো হ্যান্ডলিং ইকুইপমেন্ট

পটুয়াখালী প্রতিনিধি
প্রকাশ: ৭ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ২:১১
Shares
পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনালে আধুনিক ৫ কার্গো হ্যান্ডলিং ইকুইপমেন্ট

পটুয়াখালীর পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনালে চায়নার পতাকাবাহী ‘ফান ঝৌ-৬’ জাহাজ ভিড়েছে। আধুনিক কার্গো ও কন্টেইনার হ্যান্ডলিং কার্যক্রম আরও দ্রুত ও কার্যকর করতে বন্দরের জন্য কেনা পাঁচটি অত্যাধুনিক সরঞ্জাম নিয়ে বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে জাহাজটি সরাসরি টার্মিনালে নোঙর করে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রথম টার্মিনালে কার্গো ও কন্টেইনার ওঠানো-নামানোর সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি পুরো কার্যক্রমকে আরও আধুনিক ও দ্রুত করতেই এসব ইকুইপমেন্ট কেনা হয়েছে।

জাহাজটিতে আনা সরঞ্জামগুলোর মধ্যে রয়েছে ৮০ টন ধারণক্ষমতার দুটি কোয়ে গ্যান্ট্রি ক্রেন, ৪০ টন ধারণক্ষমতার দুটি টায়ার্ড গ্যান্ট্রি ক্রেন এবং ৮০ হাজার টন ক্ষমতাসম্পন্ন একটি মোবাইল হারবার ক্রেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ‘ফান ঝৌ-৬’ গত ১৮ সেপ্টেম্বর চীনের পিংতান বন্দর থেকে পণ্য নিয়ে পায়রা বন্দরের উদ্দেশে যাত্রা করে। দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রা শেষে বুধবার এটি বন্দরের প্রথম টার্মিনালে সরাসরি এসে পৌঁছায়।

এর আগে পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনালে সরাসরি বড় মাদারভ্যাসেলের পণ্য খালাসের নজির রয়েছে। ২০২৪ সালের ১৫ মে ৫০ হাজার মেট্রিক টন পাথর নিয়ে ‘এমভি জেইন’ এবং একই বছরের ১ নভেম্বর ৪৮ হাজার মেট্রিক টন পাথর নিয়ে ‘এমভি ডা হং-১৬’ প্রথম টার্মিনালে বার্থিং করে পণ্য খালাস করেছিল।

পায়রা বন্দরের ট্রাফিক বিভাগের উপ-পরিচালক ও মিডিয়া উইংস আজিজুর রহমান বলেন, এসব ক্রেন সংযোজনের পর বন্দরের কার্গো ও কন্টেইনার হ্যান্ডলিং কার্যক্রমে টার্নঅ্যারাউন্ড টাইম কমবে। একই সাথে অপারেশন সক্ষমতা বাড়বে এবং কম সময়ে জাহাজ থেকে কার্গো ও কন্টেইনার খালাস করা সম্ভব হবে।

পায়রা বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল সৈয়দ সাইফ-উল ইসলাম বলেন, রাবনাবাদ চ্যানেলের নাব্য সংকট মোকাবিলায় ড্রেজিং কার্যক্রমের পাশাপাশি পায়রা বন্দরকে ডিজিটালাইজড পোর্ট হিসেবে গড়ে তুলতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, পায়রা বন্দর ব্যবহার করলে একদিকে জ্বালানি সাশ্রয় হবে, অন্যদিকে আমদানি ব্যয়ও কমবে। একই সাথে যানজট ছাড়াই ব্যবসায়ীরা তাদের পণ্য খালাস করতে পারবেন।