...|...|...

সারাদেশ

টাইমস টুডের প্রতিনিধির সাথে নির্বাচন কর্মকর্তার অসদাচরণ

নরসিংদী প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ১:৩৭
Shares
টাইমস টুডের প্রতিনিধির সাথে নির্বাচন কর্মকর্তার অসদাচরণ

টাইমস টুডের প্রতিনিধির সাথে নির্বাচন কর্মকর্তার অসদাচরণ। ছবি: টাইমস টুডে

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার উপজেলা নির্বাচন অফিসে ভোটার হতে গিয়ে হয়রানির স্বীকার হয়ে নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের এক কর্মচারীকে মারধর করেছে জনসাধারণ। 

এমন তথ্যের সত্যতা জানতে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ওই কার্যালয়ে হাজির হন টাইমস টুডের প্রতিনিধি।  

অফিসে ঢুকে নিজের পরিচয় দিয়ে মারধরের বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহমুদা আক্তারের কাছে ঘটনাটি জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, এটি আপনারাই ভালো জানেন। এ বিষয়ে আমি কোনো ধরনের বক্তব্য দিতে পারব না। জেলা অফিস থেকে আমাদের নিষেধ রয়েছে। আপনি জেলা স্যারের সাথে কথা বলতে পারেন। তবে আপনি চাইলে ইউএনও (উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা) স্যারের কাছ থেকে বক্তব্য নিতে পারেন। 

এই বলে তিনি আবার বলে উঠেন, আপনি কি রেকর্ড করছেন..? দেখি আপনার মোবাইলটা দেন। পরে ওই কর্মকর্তা ও প্রতিবেদকের কথা কাটাকাটির পর কোনো ধরনের অফিসিয়াল বক্তব্য ছাড়াই সাংবাদিককে ফিরে আসতে হয়।

জানা গেছে, গত মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ভোটার হতে রায়পুরা উপজেলা নির্বাচন অফিসে আসে শতাধিক যুবক। পরে বিভিন্ন দালালরা লাইন ক্রস করে একাধিক যুবককে ভেতরে পাঠালে বাঁধে বিপত্তি। মুহূর্তেই শুরু হয়ে যায় হইচই। 

এক পর্যায়ে সেখান থেকে এক যুবক নিজের মুঠোফোনটি বের করে ভিডিও করতে চাইলে নির্বাচন অফিসের গেইটে থাকা গেইট ম্যান এরশাদ তার মুঠোফোনটি কেড়ে নেন। তখন সেই যুবক ও তার সাথে থাকা লোকজনেরা সেই গেইটম্যানকে মারধর করে।

এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে বিভিন্ন সেবা গ্রহীতারা অসৌজন্যমূলক আচরণ, সকল কাগজপত্র সঠিক থাকা শর্তেও সাধারণ জনগণকে হয়রানি, ইচ্ছে মতো ভোটার করাসহ নানা অভিযোগ রয়েছে এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। 

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা জানান, নির্বাচন কর্মকর্তা অফিসে এসেছিলেন। প্রতিদিনই অল্প অল্প করে ভোটার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে মারামারির বিষয়ে আমি কিছু জানি না।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহীন আকন্দের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি ৫ দিনের ট্রেনিংয়ে ঢাকায় আছি, আজ ট্রেনিং শেষ হবে। মারামারির বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তবে রায়পুরা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার বিষয়ে বেশকিছু অভিযোগের কথা শুনেছি। কিন্তু এখনো পর্যন্ত কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি।