সৌদি আরবে হুথি বিদ্রোহীদের সাম্প্রতিক হামলার পর দেশটির নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে একটি জরুরি সামরিক বৈঠক আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সামরিক প্রধানরা।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) আল জাজিরার বরাত দিয়ে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আসন্ন এই আলোচনাটি ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’-র একটি অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যে চুক্তির শর্ত অনুযায়ী যেকোনো এক পক্ষের ওপর হামলা মানেই সব পক্ষের ওপর হামলা বলে গণ্য করা হবে।
গত বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে সৌদি আরবের স্থায়ী মিশনে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পরই এই যৌথ ঘোষণার কথা জানানো হয়। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ ইসহাক দার এবং তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
বৈঠকে মন্ত্রীরা মক্কা শরিফ এবং সৌদি আরবের বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে চালানো নৃশংস হামলার তীব্র নিন্দা জানান। এছাড়া সৌদি সশস্ত্র বাহিনীর সতর্কতার ভূয়সী প্রশংসা করে তারা জাতিসংঘ সনদের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দেশের নিরাপত্তা রক্ষার অধিকারকে পূর্ণ সমর্থন জানান।
বৈঠকে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলা, প্রতিবেশীসুলভ আচরণ বজায় রাখা এবং সামুদ্রিক নৌচলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়। একই সঙ্গে সংকট নিরসনে উত্তেজনা প্রশমিতকরণ এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের প্রতি তাঁদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তিন দেশের মন্ত্রীরা।


