...|...|...

বিশ্ব

চেচনিয়ায় কাদিরভ ঝড়, পঞ্চমবারের মতো ঐতিহাসিক জয়

টাইমস টুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ৩:১১ | আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৯:২৭
Shares
চেচনিয়ায় কাদিরভ ঝড়, পঞ্চমবারের মতো ঐতিহাসিক জয়

রমজান কাদিরভ। ছবি: রয়টার্স

পঞ্চমবারের মতো চেচনিয়ার নেতা নির্বাচিত হয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র রমজান কাদিরভ। রাশিয়ার কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রধানত মুসলিম অধ্যুষিত এই অঞ্চলে তিনি ৯৯.৮৫ শতাংশ ভোট পেয়েছেন।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রবিবার রাশিয়ায় জাতীয় পার্লামেন্টের পাশাপাশি বিভিন্ন অঞ্চলের আইনসভা ও গভর্নর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর সাড়ে চার বছরের বেশি সময় পর দেশটির কঠোর নিয়ন্ত্রিত রাজনৈতিক ব্যবস্থার জন্য এসব নির্বাচনকে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নির্বাচনের ফলাফলে দেখা গেছে, ক্রেমলিন-সমর্থিত দল ও প্রার্থীরাই অধিকাংশ আসনে জয় পেয়েছেন। নির্বাচনে বেশির ভাগ যুদ্ধবিরোধী প্রার্থীকে অংশ নেওয়ার সুযোগ না দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

পুতিনের কাছ থেকে চেচনিয়া পরিচালনায় ব্যাপক স্বাধীনতা ভোগ করেন কাদিরভ। এর বিনিময়ে অঞ্চলটিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ১৯৯০-এর দশকে চেচনিয়ায় ইসলামপন্থি ও রুশবিরোধী বিদ্রোহ চলেছিল।

রাশিয়ার কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন জানায়, এবারের নির্বাচনে কাদিরভ ৯৯.৮৫ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। ২০২১ সালের নির্বাচনে তার ভোটের হার ছিল ৯৯.৭৩ শতাংশ। চেচনিয়ার নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে অতীতে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকেরা তীব্র সমালোচনা করেছেন।

তবে কাদিরভ এসব সমালোচনা প্রত্যাখ্যান করে আসছেন। তার দাবি, পশ্চিমা দেশগুলো তার শাসন দুর্বল করার উদ্দেশ্যে এ ধরনের সমালোচনা করে। তিনি নিয়মিতভাবে পুতিনের প্রতি নিজের ব্যক্তিগত আনুগত্যের কথা প্রকাশ করেন এবং ইউক্রেন যুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিয়েছেন।

কাদিরভের দাবি, ২০২২ সালে রাশিয়া ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকেই তার নেতৃত্বাধীন চেচেন বাহিনী সেখানে লড়াই করছে।

ক্ষমতায় কাদিরভের উত্থান ঘটে তার বাবা আখমত কাদিরভের মৃত্যুর পর। ২০০৪ সালে বিদ্রোহীদের বোমা হামলায় আখমত নিহত হন। বিদ্রোহীরা তাকে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে দেখত।

এদিকে মানবাধিকার সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরে কাদিরভ সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ করে আসছে। সাংবাদিক ও সমকামী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিপীড়নের অভিযোগও রয়েছে। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কাদিরভ।

সূত্র: রয়টার্স