...|...|...

জাতীয়

গার্মেন্টস খাতে অস্থিরতায় সীমান্তের ওপার থেকে ইন্ধনের অভিযোগ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

টাইমস টুুডে প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১ নভেম্বর ২০২৬, রাত ৯:২৭ | আপডেট: ১ নভেম্বর ২০২৬, রাত ৯:৪৭
Shares
গার্মেন্টস খাতে অস্থিরতায় সীমান্তের ওপার থেকে ইন্ধনের অভিযোগ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

পুরোনো ছবি।

তৈরি পোশাক খাতে চলমান অস্থিরতার পেছনে সীমান্তের ওপার থেকে ইন্ধন দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তার দাবি, আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে মুখোশধারীরা ঢুকে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করছে। নিরীহ শ্রমিকদের ব্যবহার করে দেশের রফতানি বাণিজ্য ও পোশাক কারখানার উৎপাদন ব্যাহত করার ষড়যন্ত্র চলছে।

রোববার (১ নভেম্বর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে সরকারের কাছে কিছু তথ্য রয়েছে, সেগুলো বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। শ্রমিকদের আন্দোলনকে কাজে লাগিয়ে সীমান্তের ওপার থেকে ইন্ধন দেওয়া হচ্ছে, যাতে দেশে অস্থিরতা তৈরি হয় এবং রফতানি বাণিজ্য ও পোশাকশিল্পের উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িতদের ইতোমধ্যে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অপতৎপরতা কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে। পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এ বিষয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

আন্দোলনে প্রকৃত শ্রমিক বা শ্রমিক সংগঠন জড়িত নয় বলে মনে করেন তিনি। মন্ত্রীর ভাষ্য, শ্রমিকদের দাবি-দাওয়া আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের সুযোগ রয়েছে। তাদের প্রতিনিধিদের নামও দেওয়া হয়েছে এবং মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এই বোর্ডের মাধ্যমেই শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করা হবে।

শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার কথাও তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা, জীবনমান উন্নয়ন এবং উৎপাদন ও রফতানি কার্যক্রম সচল রাখার বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এ সময় পোশাক কারখানার মালিকদেরও সব কারখানা ও উৎপাদন কার্যক্রম চালু রাখার আহ্বান জানান তিনি। শ্রমিকদের সাথে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের পরামর্শ দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কোনোভাবেই এমন পরিস্থিতি তৈরি করা উচিত নয়, যাতে রফতানি বাণিজ্যে সংকট দেখা দেয়।

কিছু কারখানা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, দিনের মধ্যেই পরিস্থিতির উন্নতি হবে এবং উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়ে আসবে।