গাজা উপত্যকায় যুদ্ধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত একটি আবাসিক ভবন ধসে পড়ার ঘটনায় ছয় শিশুসহ অন্তত ২১ জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আরও অন্তত ১৪ জন আহত হয়েছেন এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন আরও বহু মানুষ।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ভোরের দিকে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি ছিটমহলটিতে ভারী যন্ত্রপাতির তীব্র সংকটের কারণে উদ্ধারকর্মীরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই খালি হাতে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে জীবিতদের খোঁজার চেষ্টা চালাচ্ছেন।
গাজা সিটির সিভিল ডিফেন্স সার্ভিসের পরিচালক রাদ আল-দাহশান এএফপি বার্তা সংস্থাকে জানান, আমরা এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে মানুষের কণ্ঠস্বর শুনতে পাচ্ছি।
তিনি আরও জানান, ধসে পড়া ওই ভবনটিতে অন্তত ১০টি পরিবার বসবাস করত এবং তারা এখনও আরও অনেককে জীবিত উদ্ধারের আশা করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মোহান্নাদ আল-মাশহারাউই এএফপিকে বলেন, আমার বন্ধু ও প্রতিবেশীরা এই ভবনে থাকত। বন্ধুটির কিছু কাপড় ও তোশক উদ্ধারে সাহায্য করতে আমি এখানে এসেছি। এখন তার থাকার মতো কোনো আশ্রয় বা ঘর নেই।
ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া মানুষদের উদ্ধার কাজ অব্যাহত থাকায় এই দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এছাড়া গাজা উপত্যকায় ভারী যন্ত্রপাতি প্রবেশে ইসরায়েলের কঠোর নিষেধাজ্ঞার কারণে উদ্ধার কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমানে গাজায় যুদ্ধাহত প্রায় ২ হাজার এমন ভবন রয়েছে, যেগুলোতে আশ্রয়হীন পরিবারগুলো বাধ্য হয়ে বসবাস করছে।


