...|...|...

শিক্ষা

কিউএস এশিয়া র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের শীর্ষে ঢাবি, দক্ষিণ এশিয়ায় ১৬তম

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ৪ নভেম্বর ২০২৬, দুপুর ১২:৫৮
Shares
কিউএস এশিয়া র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের শীর্ষে ঢাবি, দক্ষিণ এশিয়ায় ১৬তম

ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে নিজেদের শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)। যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা ও গবেষণাবিষয়ক প্রতিষ্ঠান কোয়াককোয়ারেলি সায়মন্ডসের (কিউএস) প্রকাশিত ‘ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাঙ্কিংস: এশিয়া ২০২৭’-এ এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ১৩৬তম অবস্থানে রয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। দক্ষিণ এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকায় ঢাবির অবস্থান ১৬তম।

গত ৩ নভেম্বর প্রকাশিত এই র‌্যাঙ্কিংয়ে এশিয়ার ২৬টি দেশের মোট ১ হাজার ৭২২টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে। তালিকার শীর্ষ অবস্থান দখল করেছে হংকং বিশ্ববিদ্যালয়। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে চীনের পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়। এর আগে গত বছরও বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রথম অবস্থানে ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

এ অর্জনে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। তার মতে, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অবস্থান দেশের উচ্চশিক্ষা অঙ্গনের জন্য আনন্দের ও গর্বের বিষয়। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষকসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ধারাবাহিকভাবে শীর্ষস্থান ধরে রাখা সম্ভব হয়েছে।

উপাচার্য আরও জানান, কেবল আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিংয়ে অবস্থান বজায় রাখাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র উদ্দেশ্য নয়। বরং শিক্ষা ও গবেষণার মান আরও উন্নত করে বিশ্বপরিসরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান শক্তিশালী করাই মূল লক্ষ্য।

এ জন্য শিক্ষার পরিবেশ উন্নত করা, গবেষণার সুযোগ ও অবকাঠামো সম্প্রসারণ, বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথ কার্যক্রম বাড়ানো এবং শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতার উপযোগী করে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাবেক শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতার প্রয়োজন রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

উল্লেখ্য, কিউএস এশিয়া ইউনিভার্সিটি র‌্যাঙ্কিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান নির্ধারণে বেশ কয়েকটি মানদণ্ড বিবেচনা করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে একাডেমিক সুনাম, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর অনুপাত, গবেষণার মান ও প্রভাব, পিএইচডি ডিগ্রিধারী শিক্ষকের সংখ্যা, আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতা এবং বিদেশি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর উপস্থিতি। এসব সূচকের সম্মিলিত মূল্যায়নের ভিত্তিতে প্রকাশ করা হয় এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান।