রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকা থেকে ৩৬০ টাকায়। এ অবস্থায় কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। মূলত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা বৃষ্টি, জলাবদ্ধতা ও বন্যার কারণে উৎপাদন ব্যাহত হওয়া এবং পাইকারি বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ায় নিত্যপ্রয়োজনীয় এ পণ্যটির দাম বেড়ে গেছে।
কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, কাঁচা মরিচ আমদানির ওপর বিদ্যমান কর কমানো হচ্ছে এবং কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতিও দেওয়া হয়েছে। তিনি আশা করছেন, আমদানি শুরু হলে আগামী ২ থেকে ৫ দিনের মধ্যেই দাম সহনীয় পর্যায়ে চলে আসবে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিত্য পণ্যের বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রোববার রাজধানীর শান্তিনগর কাঁচা বাজার পরিদর্শন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এবং খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। এ সময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালামও উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় তারা ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে নিত্যপণ্যের সরবরাহ, মূল্য এবং সার্বিক বাজার পরিস্থিতির খোঁজ খবর নেন।
পরে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘কাঁচা মরিচ আমদানির ওপর বিদ্যমান কর কমানো হচ্ছে এবং কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতিও দেওয়া হয়েছে। আগামীকাল (সোমবার) থেকেই আমদানি কার্যক্রম শুরু হবে। ফলে আগামী দুই থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে কাঁচামরিচের দাম সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসবে।’
বাণিজ্যমন্ত্রী আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ভোক্তাদের জন্য বাজারকে সহনীয় রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা সরেজমিনে যা দেখবেন, তা বস্তুনিষ্ঠভাবে জনগণের সামনে তুলে ধরবেন। এতে মানুষ সচেতন হবে, বিভ্রান্তি কমবে এবং কেউ বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা মূল্য কারসাজির সুযোগ পাবে না।

