...|...|...

বিশ্ব

থাইল্যান্ডে বন্যায় ১৯ জনের মৃত্যু

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ১১:২৭
Shares
থাইল্যান্ডে বন্যায় ১৯ জনের মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত

থাইল্যান্ডের কয়েকটি প্রদেশে বন্যা ও ভারী বৃষ্টিতে অন্তত ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শুধু রাজধানী ব্যাংককেই প্রায় ৭ লাখ মানুষ বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বার্তাসংস্থা আনাদোলু এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

থাইল্যান্ডের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২৩টি প্রদেশে ছড়িয়ে পড়া বন্যায় ১৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৪৯টি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র। মৃত্যুর বেশিরভাগ ঘটনা ঘটেছে পানিতে ডুবে এবং বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে।

বন্যা পরিস্থিতির কারণে থাই সরকার ব্যাংকক এবং এর আশপাশের প্রদেশ—ননথাবুরি, পাথুম থানি ও সামুত প্রাকানে—দুই দিনের বিশেষ ছুটি ঘোষণা করেছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোর মধ্যে ২৪টি সচল রয়েছে, তিনটির কার্যক্রম আংশিকভাবে ব্যাহত হয়েছে এবং ২২টির সেবা কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।

এদিকে, একটি নিম্নচাপ সরে যাওয়ার পর ব্যাংককে বৃষ্টিপাতের তীব্রতা কিছুটা কমেছে। তবে রাজধানীর পূর্বাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় মৌসুমি বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। এতে প্রায় ৩ লাখ ২৯ হাজার পরিবার বা ৭ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

গত রাতের বৃষ্টিতে নং চক এলাকায় ৬২ মিলিমিটার, লাত ক্রাবাংয়ে ৫৫ মিলিমিটার এবং মিন বুরিতে ৫২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

ব্যাংককের গভর্নর চাডচার্ট সিত্তিপুন্ট জানিয়েছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রধান খালগুলোর পানির স্তর কমানোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে, যাতে সড়ক ও আবাসিক এলাকা থেকে দ্রুত পানি সরানো যায়।

সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মধ্যে রয়েছে লাত ক্রাবাং, বাং কাপি, খান না ইয়াও, সাই মাই, সুয়ান লুয়াং, সাফান সুং ও লাক সি।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ফেচাবুরি রোডের কিছু অংশ পুনরায় চালু করা হয়েছে এবং ভিভাভাদি রাংসিত সড়কে চলাচলের পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তবে কিছু এলাকায় এখনো পানি জমে রয়েছে।

বন্যাকবলিত এলাকার শয্যাশায়ী প্রায় ১ হাজার ৫০০ রোগীকে শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে স্থানান্তর করেছে ব্যাংকক মেট্রোপলিটন প্রশাসন। পাশাপাশি ত্রাণ কার্যক্রমের জন্য প্রস্তুত খাবার, বিশুদ্ধ পানি, উঁচু চাকার যানবাহন, নৌকা ও ভ্রাম্যমাণ রান্নাঘরের ব্যবস্থা করতে আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।