...|...|...

চট্টগ্রাম

টাইমস টুডেতে সংবাদ প্রকাশ

কক্সবাজারে সরকারি প্লটে নির্মিত অবৈধ স্থাপনা সরানোর নির্দেশ

কক্সবাজার প্রতিনিধি
প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ১০:৪৯
Shares
কক্সবাজারে সরকারি প্লটে নির্মিত অবৈধ স্থাপনা সরানোর নির্দেশ

কক্সবাজারে সরকারি প্লটে নির্মিত অবৈধ স্থাপনা সরানোর নির্দেশ। ছবি: টাইমস টুডে

কক্সবাজারের কলাতলী মোড়ে উচ্চ আদালতের স্থিতাবস্থার আদেশ থাকা বাতিলকৃত সরকারি প্লটে নির্মিত সকল অবৈধ স্থাপনা নিজ উদ্যোগে সরিয়ে নিতে নির্দেশ দিয়েছেন জেলা প্রশাসন। 

যারা এসকল অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করছেন, তাদের আগামী ২৪ ঘণ্টার (বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টা) মধ্যে সকল ধরনের স্থাপনা নিজ উদ্যোগে সরিয়ে নেয়ার জন্য লিখিতভাবে নোটিশ দেওয়া হয় জেলা প্রশাসনের পক্ষ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেলের ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুর রহমান সায়েম। তিনি জানান, যদি নিজ উদ্যোগে স্থাপনাগুলো সরিয়ে নেয়া না হয় তাহলে উচ্ছেদ করা হবে। 

পর্যটন সেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত এই ম্যাজিস্ট্রেট আরো জানান, উচ্চ আদালতের স্থিতাবস্থার আদেশ থাকা বাতিলকৃত সরকারি প্লটে যেসকল স্থাপনা বা দোকান নির্মাণ করা হয়েছে সব কিছুই সরিয়ে নিতে হবে না হয় উচ্ছেদ করা হবে।

এর আগে বুধবার কলাতলী মোড়ে উচ্চ আদালতের স্থিতাবস্থার আদেশ থাকা বাতিলকৃত সরকারি প্লটে নির্মিত হচ্ছে অবৈধ স্থাপনা শীর্ষক সংবাদ টাইমস টুডেতে প্রচারিত হলে টনক নড়ে প্রশাসনের। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রাসাদ প্যারাডাইসের মালিক ইউসুফ আবদুল্লার নামে বরাদ্দকৃত বি.এস. খতিয়ান নং-০১-এর ৩০ নম্বর প্লটটি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান। প্লটটিতে স্থিতাবস্থার আদেশ থাকা সত্ত্বেও সেখানে গোপনে মার্কেট নির্মাণের কাজ চলছে বলে অভিযোগ। 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নির্মাণস্থলের চারপাশে উঁচু টিনের বেড়া দেওয়া হয়েছে। বেড়ার আড়ালে কয়েকজন শ্রমিককে নির্মাণকাজ করতে দেখা যায়। তাদের সাথে কথা বললে তারা কার নির্দেশে কাজ করছেন সে বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানান। 

স্থানীয়দের অভিযোগ, পাশের বৈশাখী হোটেল বা রেস্টুরেন্টের মালিক কামরুলের তত্ত্বাবধানে একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এসব নির্মাণকাজ পরিচালিত হচ্ছে। নির্মাণাধীন দোকানগুলো বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে উচ্চ ‘সালামি’র বিনিময়ে বরাদ্দ দেওয়ার কথাও জানান স্থানীয়রা। 

তাদের দাবি, এর মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা লেনদেনের প্রস্তুতি চলছিল। স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, এর আগেও একই প্লটে আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে বৈশাখী হোটেলসহ প্রায় ২০-২৫টি দোকান নির্মাণ করা হয়েছে। এসব দোকানও উচ্চ ‘সালামি’র বিনিময়ে ভাড়া বা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি তাদের।