দেশে নতুন জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে টেকনাফ স্থলবন্দরের পণ্য পরিবহনের খরচও বেড়েছে। এতে ব্যবসা-বাণিজ্যে কিছুটা প্রভাব পড়লেও তা সামলে নিয়ে ব্যবসায়ীরা পুরো দমে বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।
টেকনাফ স্থল বন্দরের ব্যবসায়ী নেতা এনামুল হক জানান, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির সাথে টেকনাফ স্থলবন্দরের বিভিন্ন আমদানি-রফতানির মালামালের পরিবহন খরচও বেড়েছে। মিয়ানমার থেকে আমদানি করা পণ্যের কিছু অংশ ঢাকা যাচ্ছে।
আর কিছু পণ্য স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে। পরিবহন খরচ বাড়লেও ব্যবসায়ীরা তাদের বাণিজ্যিক কাজকর্ম পুরোদমে চালিয়ে যাচ্ছেন। দীর্ঘদিন টেকনাফ স্থলবন্দর বন্ধের পরে পুনরায় মিয়ানমারের সাথে সীমান্ত বাণিজ্য সীমিত পরিসরে আবারও চালু হয়েছে।
তবে আগের মতো সীমান্ত বাণিজ্য পুরোদমে চালু হলে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় করতে পারবে। পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতিতে গতি বাড়বে, এবং স্থানীয় শ্রমিকদের আরও কাজের সুযোগ বাড়বে।
ঢাকা থেকে টেকনাফ স্থলবন্দরে টাইলস নিয়ে আসা ট্রাক চালক রবিউল হাসান জানান, তেলের দাম নতুন করে বৃদ্ধি না হওয়ার আগে ঢাকা থেকে টেকনাফে মালামাল আনার পরিবহন খরচ ছিল ২৩ হাজার টাকা, এখন তা বাড়িয়ে ২৪ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। কারণ তেলের দাম যেহেতু বাড়ছে সে সাথে পরিবহন খরচও বাড়াতে হয়েছে।
টেকনাফ স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এহেতাশামুল হক বাহাদুর জানান, বন্দরে পণ্য আমদানি-রফতানির ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীরা ট্রান্সপোর্টের মাধ্যমে গাড়ি ভাড়া করে পণ্য আনা-নেওয়া করেন। বর্তমানে গাড়িভাড়া কতটা বেড়েছে এবং পরিবহন খাতে কীভাবে খরচ নেওয়া হচ্ছে, তা পরিবহন ব্যবসায়ীরা জানবে। তবে আগের চেয়ে পরিবহন খরচ বাড়ছে। এর প্রভাব তো কিছুটা হলে ব্যবসা ক্ষেত্রে পড়ছে।
এ বিষয়ে টেকনাফ স্থলবন্দর ম্যানেজার জসিম উদ্দিন জানান, বন্দরে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবেই চলছে। তবে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার খবরে পরিবহনে প্রভাব পড়া স্বাভাবিক।


