...|...|...

রাজনীতি

হাসিনার প্রত্যর্পণ ঠিক না হওয়া পর্যন্ত তারেক রহমান ভারতে যেতে পারবেন না: নাহিদ

টাইমস টুডে প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৪ আগস্ট ২০২৬, রাত ২:০৫ | আপডেট: ২৭ আগস্ট ২০২৬, রাত ২:৩২
Shares
হাসিনার প্রত্যর্পণ ঠিক না হওয়া পর্যন্ত তারেক রহমান ভারতে যেতে পারবেন না: নাহিদ

ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন ‘‘শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ কীভাবে হবে, ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক কীভাবে নতুন করে নিরূপণ হবে, এই প্রশ্নের সমাধান না হওয়া পর্যন্ত তারেক রহমান ভারতে যেতে পারবেন না।’’

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট)  ঢাকার শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

ভারত সরকারের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সমর্থনেই ভারতে থাকা পলাতক হাসিনা  নয়া দিল্লিতে একটি সংবাদ সম্মেলনে গত পাঁচই অগাস্ট ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে কথা বলেছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘‘ভারত সরকার সেই (শেখ হাসিনার প্রেস কনফারেন্সের) দায় নিচ্ছে না। সেটিকে অস্বীকার করছে। চিন্তা করেন, সেভেন সিস্টার্সের কোনো একটি স্বাধীনতাকামী সংগঠন ঢাকায় একটি প্রেস কনফারেন্স করলো এবং বাংলাদেশ সরকার বললো, এটার দায় আমাদের না, আমরা জানি না এটা কীভাবে হয়েছে, আমরা এটাকে সমর্থন করি না- এটা কি কেউ বিশ্বাস করবে?’’

নাহিদ বলেন, ‘‘সুতরাং, দিল্লিতে যে প্রেস কনফারেন্স হয়েছে, সেটি ভারত সরকারের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সমর্থনে হয়েছে...। দিল্লি থেকে শেখ হাসিনা যা কিছু বলছে, সেগুলোকে শেখ হাসিনার ভাষ্য হিসেবে না নিয়ে দিল্লির ভাষ্য হিসেবে নিতে হবে। ভারত এই বার্তা বাংলাদেশকে দিয়ে যাচ্ছে।’’

নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ‘‘পাঁচই অগাস্টের প্রেস কনফারেন্স নিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনের বক্তব্য কী, সেই বার্তা এখনো আসেনি। তাদের দুঃখ প্রকাশ করা উচিত ছিল, ক্ষমা চাওয়া উচিত ছিল এবং বাংলাদেশ সরকারের শুধু প্রেস বিজ্ঞপ্তি না, তাদেরকে ডেকে এনে কঠোরভাবে শাসানো উচিত ছিল, জবাবদিহিতা চাওয়া উচিত ছিল।’’

তিনি মনে করেন, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে ওই প্রেস কনফারেন্সটি হয়েছে। ‘‘বিচারে একটা রায় হয়েছে, সেই আসামিকে যখন প্রেস কনফারেন্স করতে দিয়েছে একটি সরকার; তার মানে এ দেশের গণতন্ত্র, বিচারব্যবস্থা, সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে ভারত সরকার অবস্থান নিয়েছে। এটি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ছায়াযুদ্ধ ঘোষণা করার মতো।
’’তিনি ভারতের উদ্দেশে এটাও বলেন, ‘‘শেখ হাসিনা ও ওসমান হাদীকে ফেরত পাঠিয়ে, নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা দিয়ে, সীমান্ত হত্যাকাণ্ডের মীমাংসা করে’’ বন্ধুত্বের কথা বলতে হবে।