হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সৌদি আরবকে সহায়তা করছে ইসরায়েল। এছাড়া ইসরায়েলের ‘সহায়ক’ প্রস্তাব লুফে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সংবাদ সংস্থা এএনআই-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার জর্জিয়ায় একটি নির্বাচনী সমাবেশে যোগ দেওয়ার আগে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, হ্যাঁ, আমি তা-ই মনে করি, অবশ্যই। সৌদি আরবের জন্য ইসরায়েল অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে।
এ সময় ২০২০ সালে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের সাথে ইসরায়েলের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ঐতিহাসিক চুক্তি ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’-এর প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প দাবি করেন, এই কাঠামোর আওতায় সৌদি আরবের যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি জোরালো।
সাংবাদিকরা জানতে চেয়েছিলেন যে সৌদি আরবের সাথে আব্রাহাম অ্যাকর্ডস চুক্তি কি এখন আবার আলোচনার টেবিলে রয়েছে কি না। এর জবাবে ট্রাম্প বলেন, হ্যাঁ, আমি তাই মনে করি। আব্রাহাম অ্যাকর্ডস আমাদের অন্যতম সেরা অর্জন। তবে সৌদি আরব ইসরায়েল ও আমাদের সমর্থন পেয়ে খুবই আনন্দিত।
এর আগে, গত মঙ্গলবার ইসরায়েলি গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে সৌদি আরব ইসরায়েলের সাহায্য চেয়েছে কি না। ‘দ্য টাইমস অব ইসরায়েল’-এর তথ্য অনুযায়ী, জবাবে নেতানিয়াহু বলেছিলেন, মধ্যপ্রাচ্যে এমন কোনো রাষ্ট্র হয়তো খুঁজে পাওয়া যাবে না, যারা আমাদের কাছে সাহায্য চাইছে না।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার আগে ইসরায়েল ও সৌদি আরব কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। তবে সৌদি আরব ধারাবাহিকভাবে জানিয়ে আসছে যে, ইসরায়েলের সাথে স্বাভাবিক সম্পর্ক স্থাপন করতে হলে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের একটি স্পষ্ট রূপরেখা থাকা জরুরি।


