...|...|...

আইন ও আদালত

সাক্ষীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে বিচার বাধাগ্রস্ত করা যাবে না: চিফ প্রসিকিউটর

টাইমস টুুডে প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকেল ৩:৩৪ | আপডেট: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকেল ৫:৩৫
Shares
সাক্ষীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে বিচার বাধাগ্রস্ত করা যাবে না: চিফ প্রসিকিউটর

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

কোনো সাক্ষীকে হুমকি বা ভয়ভীতি দেখিয়ে বিচারকাজ বাধাগ্রস্ত করা যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। 

রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

চট্টগ্রামে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলার সাক্ষীদের আসামিপক্ষ থেকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে- এমন অভিযোগের বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আমাদের কাছে এ ধরনের অভিযোগ রয়েছে। সাক্ষীদের সুরক্ষার জন্য ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কোনো মামলার সাক্ষীকে কেউ হুমকি দিচ্ছে- এমন অভিযোগের সত্যতা মিললে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে কোনো ধরনের ভয়ভীতি বা হুমকি দিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করা যাবে না।

সাংবাদিকদের অন্য এক প্রশ্নের জবাবে বহুল আলোচিত সাগর-রুনি হত্যা মামলার বিচার ও পরিবারের আবেদন প্রসঙ্গে কথা বলেন আমিনুল ইসলাম।

তিনি জানান, সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড নিয়ে বর্তমানে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তদন্ত করছে। রবিবার নিহত সাংবাদিক দম্পতির সন্তান মেঘের মামা রোমান একটি লিখিত আবেদন নিয়ে ট্রাইব্যুনালে এসেছিলেন। তাদের প্রত্যাশা, এই ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থাও যেন বিষয়টিতে তদন্ত পরিচালনা করে অথবা পিবিআইকে কোনো তথ্য দিয়ে সহায়তা করে।

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, আবেদনটি আমরা খতিয়ে দেখব। বিষয়টি ওয়াইডস্প্রেড বা সিস্টেমেটিক অফেন্সের (ব্যাপক ও পদ্ধতিগত অপরাধ) আওতায় না এলে তা তাদের স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেবো। তবে যে কারও আবেদন করার আইনি এখতিয়ার রয়েছে, সেই অধিকার থেকেই তারা আবেদনটি করেছেন এবং আমরা তা গ্রহণ করেছি।

তদন্তের বিষয়ে তিনি বলেন, সাগর-রুনির ঘটনাটি আমাদের কাছে একটি ‘ব্যক্তিগত হত্যা মামলা’ (ইন্ডিভিজুয়াল মার্ডার কেস) বলে মনে হয়। এটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আওতাধীন সিস্টেমেটিক অফেন্সের মধ্যে পড়বে কি না, তা আমরা যাচাই করে দেখছি। তবে ট্রাইব্যুনালের একটি তদন্ত করতে গিয়ে দুজন ব্যক্তির সূত্র পাওয়া গিয়েছিল, সেই আশার জায়গা থেকেই মূলত পরিবারটি এই আবেদন করেছে।

এই ঘটনার আগে-পরে একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সাথে এক সামরিক কর্মকর্তার যোগাযোগ, কথোপকথন এবং ডিস্ক আনা-নেওয়ার বিষয় রয়েছে। ওই সামরিক কর্মকর্তার এক ঘনিষ্ঠ ব্যক্তির মাধ্যমে এসব পরিচালিত হতো- এমন একটি সূত্র থেকে পরিবারটি ফলপ্রসূ কিছু পাওয়ার প্রত্যাশা করছে।