সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে একটি সূত্র পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, তদন্তের সময় সাগর-রুনি হত্যা-সংক্রান্ত আরও কোনো তথ্য বা আনুষঙ্গিক প্রমাণ পাওয়া গেলে সেগুলো সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তাদের কাছে দেওয়া হবে।
এছাড়া আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা আগের চেয়ে বৃদ্ধি করা হয়েছে। যখনই প্রভাবশালী আসামিদের বিরুদ্ধে বিচার প্রায় শেষ পর্যায়ে চলে যাচ্ছে অথবা রায় অপেক্ষমাণ আছে, ঠিক সেই মুহূর্তে এখানে স্যাবোটাজ (নাশকতা) করার একটা প্রক্রিয়া থাকতে পারে বলে আমাদের কাছে কিছু গোপন তথ্য আছে।’
তিনি বলেন, ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা জোরদারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তারাই নিরাপত্তাসংক্রান্ত কার্যক্রম দেখছেন।
কয়েকজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে তদন্ত
মানবতাবিরোধী অপরাধে সহযোগিতা ও উসকানির অভিযোগে কয়েকজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে বলেও জানান চিফ প্রসিকিউটর।
মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, কিছু সাংবাদিকের বিরুদ্ধে একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগটি রেজিস্ট্রি করে তদন্ত শুরু হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় তিন সাংবাদিক বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।
তিনি বলেন, তদন্তে অন্য কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রাথমিক উপাদান পাওয়া গেলে এবং তদন্ত প্রতিবেদনে অপরাধের প্রমাণ উঠে এলে তাদের বিরুদ্ধেও আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে ট্রাইব্যুনালে বিচারের ব্যবস্থা করা হবে।
ইনুর সাজা বাড়াতে আপিল
এদিকে সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর মামলার রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি হাতে পাওয়ার পর তার সাজা বাড়ানোর জন্য আপিল করা হবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর।
তিনি বলেন, রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি পাওয়ার পর তা পর্যালোচনা করে সাজা বাড়ানোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


