...|...|...

আইন ও আদালত

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন স্থগিত চেয়ে এবার আপিল বিভাগে আবেদন

টাইমস টুুডে প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ১২:৫০ | আপডেট: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ৯:৫৮
Shares
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন স্থগিত চেয়ে এবার আপিল বিভাগে আবেদন

ছবি: সংগৃহীত

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট খারিজ হওয়ার পর এবার আপিল বিভাগে আবেদন করেছেন এক আইনজীবী। বুধবার (১৯ আগস্ট) রিটকারী আইনজীবী মো. ইউনুছ আলী আকন্দ গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি এ এফ এম সাইফুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে রিটটি খারিজ করে আদেশ দেন।

গত বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) আইনজীবী মো. ইউনুছ আলী আকন্দ রিটটি দায়ের করেছিলেন এবং শুনানিতে তিনি নিজেই এর পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মামুন চৌধুরী এবং আখতার হোসেন মো. আব্দুল ওয়াহাব।

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক দলের টিকিটে নির্বাচিত সংসদ সদস্য দল থেকে পদত্যাগ করলে কিংবা সংসদে দলের বিপক্ষে ভোট দিলে তার সংসদ সদস্য পদ বাতিল হয়ে যায়। রিটকারী আইনজীবী দাবি করেন, এই বিধানের কারণে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোটদানের অধিকার থেকে বঞ্চিত হন এবং তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ন হয়।

পূর্বঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ১৯৯১ সালের পর এই প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে অংশ নিচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম-৪ আসনটি শূন্য থাকায় এবারের নির্বাচনে মোট ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর সংসদ কক্ষেই ভোট গণনা করা হবে এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করবেন। এরপর নির্বাচন কমিশন থেকে চূড়ান্ত ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করা হবে। গত ২৪ জুলাই সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর সংবিধানের বিধান অনুযায়ী এই নির্বাচনের আয়োজন করা হয়েছে।