প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খান একজন প্র্যাকটিসিং মুসলিম এবং ইসলামের পক্ষে কথা বলার চেষ্টা করেন বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী চিন্তাবিদ ও আলেম মুফতি ড. সাইয়্যদে মুহাম্মাদ এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী।
রবিবার (১১ অক্টোবর) নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে অবস্থিত আব্বাসী মঞ্জিলে তাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়। এ সময় দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, রাষ্ট্র পরিচালনায় ইসলামী মূল্যবোধের প্রতিফলন এবং আলেমসমাজের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎকালে রাশেদ খান দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা, রাষ্ট্র পরিচালনায় ইসলামী মূল্যবোধ ধারণ এবং সরকার ও দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় আলেমসমাজের সহযোগিতা কামনা করেন।
মুফতি ড. সাইয়্যদে মুহাম্মাদ এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী বলেন, রাশেদ খান একটি প্রতিবাদি কন্ঠ, ব্যক্তিগত জীবনে একজন প্রক্টিসিং মুসলিম। তিনি ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একজন বিশ্বস্ত সহকারী হিসেবে বর্তমান সরকার দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছেন। ইসলামের পক্ষে কথা বলার চেষ্টা করেন। গণঅধিকারে থাকা অবস্থা থেকে দেখে এসেছি। জাতীর স্বার্থে দেশের স্বার্থে গণঅধিকার যে ভূমিকা রেখেছে- এটা বাংলাদেশের ইতিহাসে লিপিবদ্ধ থাকবে সব সময়। ২৪ এর আন্দোলনের সূচনা করে দিয়েছে গণ অধিকার।
সাক্ষাৎকালে আব্বাসী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিভিন্ন ইসলামী ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তারা আলেম-ওলামা ও ইসলামপন্থী জনগোষ্ঠীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। দেশের ধর্মীয় মূল্যবোধ ও ইসলামী ঐতিহ্য সংরক্ষণে তাদের ভূমিকার কথাও স্মরণ করেন তিনি।
আব্বাসী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বিএনপি সরকার ইসলামী মূল্যবোধবিরোধী কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে আলেম-ওলামাদের পরামর্শ নেবে। পাশাপাশি কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্দিষ্ট বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন, শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সার্বিক কল্যাণ কামনা করেন আব্বাসী।
সৌহার্দ্যপূর্ণ এ সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, উলামায়ে কেরামসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।


