মিশিগানের মার্কিন সিনেট নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সের চেয়ে উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আব্দুল এল-সায়েদ। মঙ্গলবার রাতে সমর্থকদের সামনে নিজেকে নির্বাচিত সিনেটর ঘোষণা করেন তিনি।
মার্কিন বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন জানা যায়, শেষ খবর পাওয়া পযর্ন্ত, এল-সায়েদ পেয়েছেন ১৯ লাখ ৯৫ হাজার ৫৪৩ ভোট, যা মোট ভোটের ৫১ দশমিক ৮ শতাংশ। অন্যদিকে, রজার্স পেয়েছেন ১৭ লাখ ৭৯ হাজার ১০১ ভোট, অর্থাৎ ৪৬ দশমিক ২ শতাংশ।
এ পর্যন্ত মোট ভোটের আনুমানিক ৭৭ দশমিক ৬ শতাংশ গণনা হয়েছে। এখনো প্রায় ১১ লাখ ভোট গণনা বাকি। এনবিসি নিউজের হিসাব অনুযায়ী, এল-সায়েদকে পেছনে ফেলতে অবশিষ্ট ভোটের প্রায় ৫৮ দশমিক ৭ শতাংশ পেতে হবে রজার্সকে। তবে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) ও এনবিসি নিউজ—কোনোটিই এখনো চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করেনি।
পেশায় চিকিৎসক ও জনস্বাস্থ্য বিভাগের সাবেক কর্মকর্তা এল-সায়েদ অবসর নিতে যাওয়া ডেমোক্র্যাট সিনেটর গ্যারি পিটার্সের স্থলাভিষিক্ত হতে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী রজার্স সাবেক কংগ্রেসম্যান ও এফবিআইয়ের সাবেক এজেন্ট।
প্রচারণায় এল-সায়েদ সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা, নির্বাচনী অর্থায়ন সংস্কার এবং ইসরায়েলকে মার্কিন সামরিক সহায়তা দেওয়ার বিরোধিতাসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। অন্যদিকে, রজার্স কর হ্রাস, উৎপাদন শিল্পের প্রসার এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি সমর্থনের বিষয়টি সামনে আনেন।
এই নির্বাচনী লড়াইয়ে বিজ্ঞাপনের পেছনে ১০ কোটি ডলারের বেশি ব্যয় হয়েছে। ফলে মধ্যবর্তী নির্বাচনের অন্যতম আলোচিত সিনেট প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিণত হয় এটি।
গত আগস্টে ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে মার্কিন প্রতিনিধি হ্যালি স্টিভেন্সকে পরাজিত করে সাধারণ নির্বাচনে জায়গা করে নেন এল-সায়েদ। পরে স্টিভেন্স রিপাবলিকান প্রার্থী রজার্সকে সমর্থন জানান।
১৯৯৪ সালের পর থেকে মিশিগানের কোনো মার্কিন সিনেট নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী জয়ী হননি।


