...|...|...

সারাদেশ

ভুতুড়ে বিলের অভিযোগে সাড়ে ১০ হাজার মিটার বদলাচ্ছে চট্টগ্রাম ওয়াসা

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশ: ৮ নভেম্বর ২০২৬, বিকেল ৫:১৮
Shares
ভুতুড়ে বিলের অভিযোগে সাড়ে ১০ হাজার মিটার বদলাচ্ছে চট্টগ্রাম ওয়াসা

ছবি: সংগৃহীত

গড় বিল, বেশি বিল কিংবা ভুতুড়ে বিল নিয়ে গ্রাহকদের অভিযোগের পেছনে অন্যতম কারণ মিটার অচল, নষ্ট কিংবা চুরি হয়ে যাওয়া। এসব মিটারের কারণে প্রকৃত ব্যবহার নির্ধারণ করতে না পেরে গড় হিসাবে বিল দিতে হয় চট্টগ্রাম ওয়াসাকে। এ সমস্যা থেকে গ্রাহকদের মুক্তি দিতে সাড়ে ১০ হাজার মিটার পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে সংস্থাটি।

গত ১২ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এ কার্যক্রমে পর্যায়ক্রমে অচল, নষ্ট ও চুরি হওয়া মিটার প্রতিস্থাপন করা হচ্ছে।

ওয়াসা জানায়, কোনো গ্রাহকের পানির মিটার নষ্ট বা চুরি হলে তা পরিবর্তনে বিলম্ব কিংবা অনীহার কারণে অনেক সময় দীর্ঘদিন গড় হিসাবে বিল দিতে হয়। এতে স্বাভাবিক বিলের সাথে পার্থক্য তৈরি হলে বেশি বিল আসার অভিযোগ করেন গ্রাহকরা। এমন অভিযোগের সমাধান করতে গিয়ে দেখা যায়, মিটার অচল বা নষ্ট থাকার বিষয়টি সমস্যার মূল কারণ।

এ পরিস্থিতি বিবেচনায় গত ১৭ সেপ্টেম্বর লিমিটেড টেন্ডারিং মেথডে (এলটিএম) মিটার কেনার দরপত্র আহ্বান করে ওয়াসা। পরে ১২ অক্টোবর থেকে প্রতিস্থাপনের কাজ শুরু হয়। এ উদ্যোগের আওতায় সাড়ে ১০ হাজার গ্রাহকের মিটার পরিবর্তন করা হচ্ছে।

ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম বলেন, ওয়াসায় যোগদানের পর থেকে গড় বিল, বেশি বিল ও ভুতুড়ে বিল নিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে সরাসরি ও লিখিত অভিযোগ পাচ্ছেন তিনি। এসব অভিযোগের কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখা গেছে, অনেক ক্ষেত্রে গ্রাহকের মিটার নষ্ট, অচল কিংবা চুরি হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, গ্রাহক মিটার প্রতিস্থাপনে বিলম্ব করেন বা অনেক সময় অনীহা প্রকাশ করেন। ফলে চট্টগ্রাম ওয়াসাকে আইন অনুযায়ী গড় বিল দিতে হয়। গ্রাহকদের সুবিধার্থে ওয়াসা নিজ উদ্যোগে সাড়ে ১০ হাজার মিটার প্রতিস্থাপন করে দিচ্ছে। এর ফলে গ্রাহকরা মিটার রিডিং অনুযায়ী বিল পাবেন এবং ভুতুড়ে বিলের অভিযোগ থেকেও আমরাও রক্ষা পাব।

সঠিক মিটার রিডিংয়ের ভিত্তিতে বিল দেওয়া হলে ওয়াসার রাজস্ব আদায়ও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। এ কার্যক্রমে গ্রাহকদের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক।