ইরান ও কাতারের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে কৌশলগত হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া হতে পারে—এমন প্রত্যাশায় বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমেছে, যা টানা কয়েক দিনের দরপতনের ধারাকে দীর্ঘায়িত করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাতে বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টা ৪ মিনিটে ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার্সের দাম ৬০ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল ৮৭.২৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা টানা চতুর্থ দিনের মতো পতন। অন্যদিকে, ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট ক্রুড ফিউচার্সের দাম ৫৬ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ কমে ৮১.৬৭ ডলারে নেমে এসেছে, যা টানা পঞ্চম দিনের মতো পতন নির্দেশ করে।
একজন জ্যেষ্ঠ ইরানি সূত্রের বরাত দিয়ে বুধবার জানানো হয়েছে, হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে একটি চুক্তির চূড়ান্ত খুঁটিনাটি নিয়ে কাজ করছে ইরান ও ওমান।
এর আগে, ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস জানিয়েছিল যে, প্রধান উপসাগরীয় তেল উৎপাদক দেশগুলোকে বাজারের সঙ্গে সংযুক্তকারী এই জলপথ এবং এর থেকে প্রাপ্ত রাজস্ব কীভাবে ভাগাভাগি করা যায়, সে বিষয়ে দুই দেশ একমত হয়েছে।
এএনজেড-এর হাইনস ডিজেল বাজারের ওপর মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবের প্রতিও ইঙ্গিত করেছেন। এই সংঘাতে মধ্যপ্রাচ্যের শোধনাগারগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ইউক্রেন বেশ কয়েকটি রুশ শোধনাগারে হামলা চালিয়েছে, যার ফলে বিশ্বের অন্যতম প্রধান ডিজেল সরবরাহকারী দেশের রপ্তানি কমে গেছে।
বিশ্বব্যাপী ডিজেল উৎপাদনের এই ঘাটতি ইনভেন্টরি বা মজুদের ডেটাতেও স্পষ্টভাবে ফুটে উঠছে। মার্কিন এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বুধবার জানিয়েছে যে, গত ২১ আগস্ট পর্যন্ত সমাপ্ত সপ্তাহে ডিজেল এবং হিটিং অয়েলসহ ডিস্টিলেট বা পাতিত জ্বালানির মজুদ ২২ লাখ ব্যারেল কমে ১০ কোটি ৩৪ লাখ ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে।


