...|...|...

খুলনা

ফ্যামিলি কার্ডের ২৫০০ টাকা জমিয়ে স্বাবলম্বী হওয়া সম্ভব: সংস্কৃতিমন্ত্রী

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ১০:০৩
Shares
ফ্যামিলি কার্ডের ২৫০০ টাকা জমিয়ে স্বাবলম্বী হওয়া সম্ভব: সংস্কৃতিমন্ত্রী

বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। ছবি: টাইমস টুডে

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড আমাদের নারীদের জন্য সেফগার্ড। পরিশ্রমী নারী যারা আছেন, এই আড়াই হাজার টাকা জমিয়ে একটা পরিবারকে তাদের পক্ষে স্বাবলম্বীর দিকে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। 

রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক কমিটির সভা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, প্রকৃত সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই সরকারের এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে বিএনপি সরকার গঠন করেছে। আমাদের দেশের কৃষক ভালো থাকলে বাংলাদেশও ভালো থাকবে। এজন্য কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড চালু করা হয়েছে এবং ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করেছে সরকার। 

তিনি বলেন, বিশেষ করে আমাদের গ্রামাঞ্চলে নারী সদস্যদের ওপর পুরুষ সদস্যরা নানানভাবে অনেক ক্ষেত্রে নির্যাতন করে থাকেন, জিম্মি করে থাকেন। যৌতুকের জন্য কিংবা শ্বশুরবাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য নানা অজুহাত দেন। ফ্যামিলি কার্ড আমাদের নারীদের জন্য সেফগার্ড। পরিশ্রমী নারী যারা আছেন, এই আড়াই হাজার টাকা জমিয়ে একটা পরিবারকে স্বাবলম্বীর দিকে নিয়ে যেতে পারবেন।

জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহারের সভাপতিত্বে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক কমিটির সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য নেওয়াজ হালিমা আরলী, চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক শরীফুজ্জামান শরীফ, পুলিশ সুপার মো. রুহুল কবির খান, জেলা সিভিল সার্জন ডাক্তার হাদী জিয়াউদ্দিন আহমেদ। 

এ ছাড়া জেলার চার উপজেলা নির্বাহী অফিসার, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক মো. নুরুল ইসলাম, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মামুনুল হাসান, জেলা তথ্য অফিসার শিল্পী মন্ডল, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ সিদ্দিকুর রহমান, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম পিটু, পৌর বিএনপি'র সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মনি, চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শাহআলম সনি, জেলার পাঁচ থানার অফিসার ইনচার্জসহ বিভিন্ন সরকারি দফতরের কর্মকর্তারা সভায় অংশ নেন।

রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরাও সভায় উপস্থিত ছিলেন।