...|...|...

জাতীয়

পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৪ কর্মকর্তা বরখাস্ত

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ১০:৩০ | আপডেট: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ১২:৫৮
Shares
পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৪ কর্মকর্তা বরখাস্ত

ছবি: সংগৃহীত

কর্মস্থলে দীর্ঘদিন অনুমতি ছাড়া অনুপস্থিত থাকা এবং সরকারি দায়িত্ব পালনে অসদাচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা চার পুলিশ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে সরকার।

বুধবার ( সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা- শাখা থেকে পৃথক চারটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাদের বরখাস্তের আদেশ জারি করা হয়।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনগুলোতে সই করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।

বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন- ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাবেক যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অতিরিক্ত ডিআইজি) সঞ্জিত কুমার রায়, ডিএমপির সাবেক উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মানস কুমার পোদ্দার, রংপুরের সাবেক পুলিশ সুপার মো. শাহজাহান এবং বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি সারদার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হাফিজ আল ফারুক।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সঞ্জিত কুমার রায় ২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে সরকারি দায়িত্ব কর্তব্য পালনে চরম অবহেলা, সরকারি আদেশ অমান্য এবং বিভাগীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়। বিভাগীয় তদন্তে তার বিরুদ্ধেঅসদাচরণপলায়ন’-এর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের গুরুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

একইভাবে, মানস কুমার পোদ্দার ২০২৪ সালের ১৮ অক্টোবর থেকে অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা তদন্ত পরিচালনা করা হয়। তদন্তে অসদাচরণ পলায়নের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকেও চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

রংপুরের সাবেক পুলিশ সুপার মো. শাহজাহান ছুটি শেষে ২০২৫ সালের ১৬ জানুয়ারি কর্মস্থলে যোগ দেননি। এরপর অনুমতি ছাড়া দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি সারদার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হাফিজ আল ফারুক ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। তার বিরুদ্ধেও বিভাগীয় তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় চাকরি থেকে বরখাস্তের গুরুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধেই সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী বিভাগীয় মামলা তদন্ত পরিচালনা করা হয়েছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের পরামর্শ এবং রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের ভিত্তিতে তাদের চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।