...|...|...

বিশ্ব

নির্বাচনি জরিপে নেতানিয়াহুর চেয়ে এগিয়ে আইজেনকোট

টাইমস টুুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ১:১৭ | আপডেট: ২০ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ২:০৪
Shares
নির্বাচনি জরিপে নেতানিয়াহুর চেয়ে এগিয়ে আইজেনকোট

ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর চেয়ে সাবেক সেনাপ্রধান গাডি আইজেনকোটের প্রতি জনসমর্থন বেড়েছে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) প্রকাশিত ‘চ্যানেল ১২’-এর এক জনমত জরিপে দেখা গেছে, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আইজেনকোটকে বেশি উপযুক্ত মনে করেন ৪৫ শতাংশ উত্তরদাতা। অন্যদিকে নেতানিয়াহুর পক্ষে মত দিয়েছেন ৩৩ শতাংশ। ফলে দুজনের মধ্যে ব্যবধান বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ শতাংশ পয়েন্টে, যা আগের জরিপে ছিল ১০ পয়েন্ট।

বার্তাসংস্থা আনাদোলু বলছে, আগামী ২৭ অক্টোবর ইসরায়েলের সংসদ নির্বাচনের আট দিন আগে জরিপটি প্রকাশিত হলো। এতে আইজেনকোটের ‘ইয়াশার’ পার্টি ১২০ আসনের নেসেটে ২৪টি আসন পেতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে নেতানিয়াহুর ‘লিকুদ’ পার্টি পেতে পারে ২১টি আসন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটের ‘টুগেদার’ পার্টি ১৪টি আসন পেতে পারে। ইয়াইর গোলানের ‘ডেমোক্র্যাটস’ ও আরব-নেতৃত্বাধীন ‘জয়েন্ট লিস্ট’ পেতে পারে ৯টি করে আসন। এ ছাড়া ‘ইসরায়েল বেইতেইনু’, ‘শাস’ ও ইতামার বেন-গভিরের ‘জুইশ পাওয়ার’ পার্টি আটটি করে আসন পেতে পারে।

জরিপ অনুযায়ী, নেতানিয়াহুবিরোধী ইহুদি-নেতৃত্বাধীন দলগুলো ৫৫টি আসন পেতে পারে। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন জোট পেতে পারে ৫১টি আসন। দুটি আরব দল আরও ১৪টি আসন পেতে পারে। তবে ভবিষ্যতে সরকার গঠনে এসব দলের ভূমিকা এখনো অনিশ্চিত।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উপযুক্ততা নিয়ে আরেক প্রশ্নে নাফতালি বেনেটও নেতানিয়াহুর চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। বেনেটের পক্ষে মত দিয়েছেন ৩৯ শতাংশ উত্তরদাতা, আর নেতানিয়াহুর পক্ষে ৩৪ শতাংশ। জরিপে অংশ নেওয়া ২২ শতাংশ মনে করেন, তাঁদের কেউই প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যোগ্য নন।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রকাশ্য সমর্থন ভোটের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলবে না বলে জানিয়েছেন জরিপে অংশ নেওয়া ৬৪ শতাংশ মানুষ। ১৭ শতাংশ বলেছেন, ট্রাম্পের সমর্থনের কারণে লিকুদকে ভোট দেওয়ার সম্ভাবনা তাঁদের কমেছে। বিপরীতে ১২ শতাংশ জানিয়েছেন, এই সমর্থন নেতানিয়াহুর দলের প্রতি তাঁদের সমর্থন আরও জোরালো করেছে।

রবিবার ট্রাম্প নেতানিয়াহুর নেতৃত্ব এবং ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাঁর অংশীদারিত্বের প্রশংসা করেন। বিশেষ করে ইরানের মোকাবিলায় নেতানিয়াহুর ভূমিকার প্রতি সমর্থন জানান তিনি।