নবম জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ অনুমোদনের পর অফিশিয়াল প্রজ্ঞাপনের অপেক্ষায় আছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। মন্ত্রিপরিষদসচিব নাসিমুল গনি জানিয়েছেন, বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বা বৃহস্পতিবারের (৩ সেপ্টেম্বর) মধ্যেই এই প্রজ্ঞাপন জারি করা হতে পারে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন জারি হলেই নতুন মূল বেতন, স্কেল ও ভাতার বিস্তারিত তথ্য পরিষ্কার হয়ে যাবে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬’ ও ‘সশস্ত্র বাহিনীর যৌথবাহিনী নির্দেশাবলি-২০২৬’ অনুমোদন দেওয়া হ্য়। নতুন পে স্কেল ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর করা হবে।
জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫ ও সচিব কমিটির সুপারিশ, মূল্যস্ফীতি, সরকারের আর্থিক সক্ষমতা এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনা করে এই ভারসাম্যপূর্ণ বেতনকাঠামো চূড়ান্ত করা হয়েছে।
অনুমোদিত পে স্কেলে বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রাখা হলেও প্রতিটি গ্রেডের মূল বেতনে বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর মধ্যে ২০তম বা সর্বনিম্ন গ্রেডের প্রারম্ভিক মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ হাজার টাকা, যা আগের তুলনায় ১৪২ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে, প্রথম বা সর্বোচ্চ গ্রেডে নির্ধারিত মূল বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা করা হয়েছে, যা আগের তুলনায় ১০০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের বৈষম্য দূর করতে বিদ্যমান ১:১.৯৪৫ অনুপাত কমিয়ে ১:১.৭৮ করা হয়েছে। নতুন পে স্কেল পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে সরকারের বছরে অতিরিক্ত ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। এই অর্থের জোগান দিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) চলতি অর্থবছরের রাজস্ব আদায়ের বড় লক্ষ্যমাত্রা পূরণের উপায় খুঁজে বের করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


