নবম পে-স্কেল অনুযায়ী বর্ধিত বেতন ও বকেয়া পাওয়া শুরু করেছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। রবিবার (১ নভেম্বর) অনেকেই অক্টোবর মাসের বেতনের সাথে গত তিন মাসের বর্ধিত বেতনের বকেয়া অর্থ পেয়েছেন।
তবে এদিন সব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর অ্যাকাউন্টে নতুন কাঠামো অনুযায়ী বেতন পৌঁছায়নি। যারা গত ২৫ অক্টোবরের মধ্যে বেতন নির্ধারণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পেরেছেন, কেবল তারাই রবিবার বেতন ও বকেয়া পেয়েছেন।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বেতন নির্ধারণ করতে না পারায় অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী এদিন অর্থ পাননি। তবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে তারাও নতুন কাঠামো অনুযায়ী বেতন ও বকেয়া পেয়ে যাবেন।
রবিবার সকালে অনেক সরকারি কর্মচারী মুঠোফোনে বেতন জমার বার্তা পান। এতে অক্টোবর মাসের নিয়মিত বেতনের পাশাপাশি জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসের বর্ধিত বেতনের বকেয়া অর্থ যুক্ত হয়েছে।
এর আগে, গত ১৭ সেপ্টেম্বর নতুন বেতনকাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। ঘোষিত কাঠামো অনুযায়ী, গত ১ জুলাই থেকে নতুন পে স্কেল কার্যকর হয়েছে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা বর্ধিত মূল বেতনের ৪০ শতাংশ পাবেন। অন্যদিকে, দশম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা পাবেন বর্ধিত মূল বেতনের ৫০ শতাংশ।
পরবর্তী ধাপে ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা বর্ধিত মূল বেতনের ৭৫ শতাংশ পাবেন। একই সময়ে দশম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের ক্ষেত্রেও নির্ধারিত হারে বর্ধিত বেতন কার্যকর হবে। ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে নতুন বেতনকাঠামো শতভাগ কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।
এদিকে, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের পে স্কেলের আওতায় আনার বিষয়ে আশার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। রবিবার নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা শিগগিরই নতুন পে স্কেলের আওতায় আসছেন।


