...|...|...

অর্থনীতি

দেশে এক হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে আগ্রহী আমিরাত প্রবাসী বাংলাদেশিরা

টাইমস টুডে ডেস্ক
প্রকাশ: ১৭ আগস্ট ২০২৬, রাত ১১:৩১ | আপডেট: ২২ আগস্ট ২০২৬, বিকেল ৫:৪৪
Shares
দেশে এক হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে আগ্রহী আমিরাত প্রবাসী বাংলাদেশিরা

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) বসবাসরত বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা। একই সাথে দীর্ঘদিনের ভিসা জটিলতা দূর করা এবং ভিসা বাতিলের কারণে দেশে আটকে পড়া প্রবাসীদের দ্রুত আমিরাতে ফেরার সুযোগ নিশ্চিত করতে সরকারের আশু হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তারা।

সোমবার (১৭ আগস্ট) রাজধানীর পল্টন টাওয়ারে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি ও প্রস্তাব তুলে ধরেন ইউএই প্রবাসী এনআরবি সিআইপি ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সদস্যরা।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, প্রবাসী ব্যবসায়ীরা ডিজিটাল ও এআইভিত্তিক ইসলামিক ব্যাংকিং, ড্রাই ফুড প্রসেসিং, ই-রেন্টাল সেবা, সোলার প্যানেল ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি, পর্যটন, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যসেবা খাতে বিনিয়োগে প্রস্তুত। দ্রুত অনুমোদন, বিনিয়োগ সুরক্ষা, জমি বা লিজ সুবিধা এবং কার্যক্ষম ওয়ান-স্টপ সেবা নিশ্চিত করা গেলে এসব বিনিয়োগ দ্রুত বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।

প্রতিনিধিদলের সদস্যরা ইতোমধ্যে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। আগামীকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে তাদের।

বক্তারা জানান, আমিরাতে দীর্ঘ ১২ বছর ধরে অভ্যন্তরীণ মালিক বা স্পন্সর পরিবর্তনের সুযোগ বন্ধ থাকায় অনেক বাংলাদেশি কর্মী অনিশ্চয়তায় ভুগছেন। এ ছাড়া সম্প্রতি ভিসা বাতিলের কারণে হাজারো প্রবাসী দেশে আটকে পড়েছেন, যাদের চাকরি ও ব্যবসা সেখানে ঝুলে আছে। সরকার দুটি দেশের উচ্চপর্যায়ে আলোচনার মাধ্যমে আটকে পড়া প্রবাসীদের ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নেবে বলে তারা আশা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে প্রবাসীদের পক্ষ থেকে ১৫ দফা দাবি উপস্থাপন করা হয়। প্রতিনিধিদলের পক্ষে মোহাম্মদ রুবেল সিআইপি বলেন, ‘প্রবাসীরা শুধু রেমিট্যান্সের উৎস নন; তারা বাংলাদেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার ও উন্নয়ন সহযোগী।’ প্রস্তাবিত ১ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ বাস্তবায়িত হলে দেশে নতুন শিল্প, কর্মসংস্থান ও প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতির নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।